ঢাকা, শুক্রবার   ১০ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২৫ ১৪২৭

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪:৪১, ১৪ মে ২০২০
আপডেট: ১৪:৪১, ১৪ মে ২০২০

মৌলভীবাজারে ৫৬ করোনা রোগী, হটস্পট শহরেই ২৭ জন

মৌলভীবাজার জেলায় এখন পর্যন্ত ৫৬ জন করোনারোগী শনাক্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে ২৭ জনই মৌলভীবাজার শহরের।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সুত্রে জানা যায়- জেলায় প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিলে গত ৪ এপ্রিল রাজনগর উপজেলায়। সেই রাজনগরে বর্তমানে মোট রোগীর সংখ্যা ৩ জন। কুলাউড়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশী আক্রান্ত হয়েছেন পুলিশ সদস্যরা, কয়েকজন পুলিশ সদস্য মিলিয়ে কুলাউড়ায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৮ জন। তবে জেলার সবচেয়ে কম রোগী বড়লেখা উপজেলায়। সেখানে এখন পর্যন্ত ২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদিকে জেলায় সবচেয়ে বেশী ভাসমান মানুষের অবস্থান দাবি করা হয় শ্রীমঙ্গলে। সেই শ্রীমঙ্গলে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ জন।

জেলায় অন্য সব উপজেলা আক্রান্ত হওয়ার পর শেষের দিকে আক্রান্ত হয় জুড়ী এবং কমলগঞ্জ উপজেলা। জুড়ীতে বর্তমানে করোনা রোগীর সংখ্যা ৪ এবং কমলগঞ্জে ৭ জন। তবে জেলার ৭টি উপজেলার মধ্যে করোনার হটস্পট হিসেবে পরিণত হয়েছে মৌলভীবাজার সদর উপজেলা।

সদর উপজেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত ২৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এরইমধ্যে করোনা ও জরুরি সেবা ছাড়া হাসপাতালটি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সারা জেলায় ৫৬ জন আক্রান্তের মধ্যে শুধু মৌলভীবাজার পৌর শহরে ২৭ জন। যা মৌলভীবাজার শহরকে এই জেলার করোনার হটস্পট হিসেবে পরিণত করেছে।

মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যানবিদ অহিজিৎ দাশ রিংকু জানান, প্রতিদিন নতুন নতুন নমুনা কালেকশন করা হচ্ছে এবং রিপোর্ট হাতে আসছে।

সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বিনেন্দু ভৌমিক বলেন, বর্তমান পরিস্থিতে মানুষের নিজের সচেতন হওয়া ছাড়া বড় কোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই। রোগী যত বাড়ছে, মানুষের সচেতন হওয়ার কথা ঠিক ততোটাই কিন্তু আমরা মাঠেঘাটে উল্টা চিত্র দেখতে পারছি। মানুষকে সচেতন হতে হবে এর বিকল্প নেই ।

সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ আইনিউজকে বলেন, সদর নিয়ে আমরা একটু বেশী সচতন। যেহেতু এখানে আক্রান্ত বেশী তাই এই জায়গাকে আলাদা ভাবে দেখা হচ্ছে।  আমরা চেয়েছিলাম শনিবার থেকে হাসপাতাল স্বাভাবিক করে দেব কিন্তু এর মধ্যে গতকাল আরও ৮ জন আক্রান্ত হওয়াতে আমাদের ভাবতে হচ্ছে। আমরা বসে সিদ্ধান্ত নেব ।

তিনি আরও জানান, খুব প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। বাইরে আড্ডা দেওয়া যাবে না। যেটা এখন বেশি দেখা যাচ্ছে। নিয়মিত মাস্ক পড়তে হবে। অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে সাধারণ মানুষের সচেতনতার বিকল্প নাই।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়