ঢাকা, বুধবার   ১০ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ২৬ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ১২:৩২, ২৫ এপ্রিল ২০১৯
আপডেট: ১২:৩২, ২৫ এপ্রিল ২০১৯

নুসরাত হত্যা : ৩ দিনের রিমান্ডে শাহাদাত হোসেন শামীম

ফেনী: ফেনীতে মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শাহাদাত হোসেন শামীমের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহির হোসাইন এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ১৪ এপ্রিল (রোববার) একই আদালতে নুসরাত হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন শাহাদাত হোসেন শামীম। নুসরাত হত্যা মামলার আরও তথ্য উদঘটনের জন্য শাহাদাত হোসেন শামীমের পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয় বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. শাহ আলম। পরে আদালত শুনানি শেষে শাহাদাত হোসেন শামীমের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শামীম নুসরাত হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি। গত ১২ এপ্রিল (শুক্রবার) সকালে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে শাহাদাত হোসেন শামীমকে গ্রেফতার করে পিবিআই। নুসরাত হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত আটজন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে তাদের জবানবন্দি দিয়েছেন। এরা হলেন- নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে সুলতানা পপি, কামরুন নাহার মনি, জাবেদ হোসেন, আবদুর রহিম ওরফে শরীফ, হাফেজ আবদুল কাদের ও জোবায়ের আহমেদ। এছাড়াও এই ঘটনার সাথে জড়িত সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমীন, পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদাক মাকসুদ আলমসহ ২০ জনকে জনকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই। [caption id="attachment_1723" align="alignnone" width="800"] নুসরাত জাহান রাফি।[/caption] উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে গেলে তার গায়ে আগুন লাড়গয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর অবস্থায় ওই দিন রাতে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় নুসরাত জাহান রাফিকে। পরে ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নুসরাত মারা যান। নুসরাত হত্যা নিয়ে সারাদেশে সাধারণ জনগণের মাঝে তোলপার সৃষ্টি হয়। নুসরাত জাহান রাফির হত্যার সাথে জড়িতদের বিচারের দাবী করে সারা দেশব্যাপী এখনো মানববন্ধন পালন করছেন বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সাধারণ জনগন। এর আগে ২৭ মার্চ ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে নুসরাতকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা করেন নুসরাতের মা। ওই মামলা তোলে নেয়ার জন্য নুসরাত ও তার পরিবারের ওপর চাপ দিচ্ছিল অধ্যক্ষের লোকজন। এরপর ৬ এপ্রিল নুসরাতের গায়ে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে।
Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়