ঢাকা, বুধবার   ১০ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ২৬ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:০১, ২১ আগস্ট ২০২১
আপডেট: ১২:৩৫, ২১ আগস্ট ২০২১

হাইকোর্টের শুনানির অপেক্ষায় থেকে গ্রেনেড হামলার ১৭ বছর

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার ১৭তম বার্ষিকী আজ শনিবার। আলোচিত এই মামলাটি আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। শিগগির শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান শুক্রবার সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসকে জানিয়েছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার নথিপত্র অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করে পেপার বুক তৈরি করে যাবতীয় প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিধি অনুসারে শিগগিরই শুনানির পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ২১ আগস্টে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ইতিহাসের জঘন্যতম ঘৃণ্য ঘটনা। ইতিমধ্যে এই মামলায় বিচারিক আদালতে দণ্ডিত পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখন এই মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিচারিক আদালতে এই মামলার রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুঁলি সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায় এই হামলা চালানো হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য ও দেশকে অকার্যকর করাই ছিল ওই হামলার উদ্দেশ্য।

আইনজীবী বলেন, ওই হামলায় সমরাস্ত্র আর্জেস গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়। জঙ্গিরা তৎকালীন ক্ষমতাসীন মহলের প্রত্যক্ষ মদদ ও সহায়তায় বর্বরোচিত এ মামলা চালায় শান্তিপ্রিয় আওয়ামী লীগ ও সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ সমাবেশের ওপর। তৎকালীন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন ওই ঘটনায় নিহত হন। মারাত্মক আহত হন কয়েকশ নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেকে ওই ঘটনার শিকার হয়ে দেহে এর ক্ষত বহন করছেন।

এদিকে পুলিশ সদরদপ্তরের এনসিবি’র এআইজি মহিউল ইসলাম বলেন, ‘তারেক রহমানসহ পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকরের জন্য সম্ভাব্য দেশগুলোর সঙ্গে এনসিবি ঢাকা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এছাড়া ইন্টারপোলের রেড নোটিশে নাম ওঠাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার এক বিবৃতিতে আশা করেন, সব আইনি বিধি-বিধান ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যত দ্রুত সম্ভব ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় রায় কার্যকর হবে। এই রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে দেশ থেকে হত্যা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের চির অবসান হবে এবং বাংলাদেশ আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ-শান্তিপূর্ণ আবাসভূমিতে পরিণত হবে।

আইনিউজ/এসডি

আইনিউজ ভিডিও-

মুনিয়ার আত্মহত্যার মামলা থেকে বসুন্ধরার এমডি আনভীরকে অব্যাহতি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়