ঢাকা, রোববার   ০১ আগস্ট ২০২১,   শ্রাবণ ১৭ ১৪২৮

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৩৬, ১৭ জুলাই ২০২১
আপডেট: ০০:২৮, ১৮ জুলাই ২০২১

ফেসবুক মেসেঞ্জার নিয়ে এলো সাউন্ড ইমোজি

ইমোজি

ইমোজি

সোশ্যাল মিডিয়ার ইমোশনাল মেসেজ ইমোজি। কখনো কাঁদছে, কখনো হাসছে, কখনো রেগে যাচ্ছে আবার কখনো ভালোবাসা ঝরে পড়ছে। কেননা লিখিত শব্দ ছাড়া মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য এক দারুণ উপায় হলো ইমোজি। এবার এই ইমোজিকে আরেকটু সমৃদ্ধ করলো ফেসবুক।

১৭ জুলাই বিশ্ব ইমোজি দিবস। এ উপলক্ষে ফেসবুক মেসেঞ্জারে এলো সাউন্ড ইমোজি বা সাউন্ড এফেক্ট বিশিষ্ট ইমোজি। এ‌তে ইমোজির পাশাপাশি শোনা যাবে শব্দও। একে বলা হচ্ছে, কথা বলতে পারা ইমোজি।

সাউন্ড ইমোজিস-এর সাউন্ড বিভিন্ন রকমের হতে পারে। যেমন- তা সাধুবাদ জানানোর হতে পারে, ভয়ঙ্কর হাসি বা আপনার পছন্দের শিল্পী যেমন রেবেক্কা ব্ল্যাকের অডিও স্নিপেটস, টিভি শো'র মতো ছবি, এছাড়া ইউনিভার্সাল টেলিভিশন, নেটফ্লিক্স বা সাউন্ডল্যান্ডস ব্রিজারটনের যথাক্রমে এনবিসি এবং ব্রুকলিন নাইন-নাইনের সাউন্ডও হতে পারে।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমরা পুরো সাউন্ডমোজি লাইব্রেরি নিয়ে আসছি আপনাদের জন্য। সেখান থেকে আপনারা পছন্দ করতে পারবেন। যা নতুন সাউন্ড এফেক্ট অনুযায়ী আপডেট হতে থাকবে। এছাড়া থাকবে বিখ্যাত সব সাউন্ড। প্রত্যেক সাউন্ডের প্রতিনিধিত্ব করবে কোনো না কোনো ইমোজি।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে প্রথম তৈরি হয়েছিল ইমোজি। এই নিয়ে অবশ্য দ্বিমত আছে। অনেকেই দাবি করেন ১৯৯৭ সালে তৈরি হয়েছিল প্রথম ইমোজি। এক জাপানি শিল্পী সিগেতাকা কুরিতাকেই ইমোজির স্রষ্টা বলে মনে করা হয়। 

জাপানি শব্দ ছবি (ই) এবং অনুভূতির (মোজি) এই দুটি শব্দ মিলিয়েই তৈরি হয়েছে ইমোজি। মোবাইলের বদৌলতে সেই ইমোজি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ২০০০ সালে। এখন বেশ জনপ্রিয় বাবল এআই নামে এক তথ্য প্রযুক্তি সংস্থার দৌলতে ভারতে ছড়িয়ে পড়ে ইমোজি। প্রথমে খুব কম সংখ্যক ইমোজি পাওয়া যেত। পরে তা আরো তৈরি হয়। সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ইমোজি এখন স্মাইলি।

প্রথমের দিকে একাধিক ইমোজি বাজারে ছড়িয়ে পড়লেও সবগুলোর অর্থ স্পষ্ট ছিল না। এখন গুগলে সার্চ দিলেই সব ইমোজির অর্থ সহজেই জানা যায়। এতটাই জনপ্রিয় এই অনুভূতির ছোট্ট চিহ্নটি। ১৭ জুলাইকে বিশ্ব ইমোজি দিবস হিসেবেই পালন করা হয়। 

আইনিউজ/এসডিপি 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়