ঢাকা, বুধবার   ০৮ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২৩ ১৪২৭

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২:৩৭, ২৯ জুন ২০২০

গাইবান্ধায় ৫০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ২০ হাজার পরিবার

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে গাইবান্ধার ফুলছড়ি পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

ফলে সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানি। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ২০ হাজার পরিবার। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন  গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান।

জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমা অতিক্রমের ফলে নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হয়ে বন্যা দেখা দিয়েছে। এছাড়াও গত বছরের ভয়াবহ বন্যায় ভেঙে যাওয়া বাঁধগুলো দিয়ে পানি প্রবেশ করে ফুলছড়ি-গাইবান্ধা আঞ্চলিক মহাসড়কে এখন হাঁটুপানি। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে বেশ কিছু গ্রাম।

ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত নিম্নাঞ্চল ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ও খাটিয়ামারী ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা, বালাসী ঘাট এলাকার ১৫টি গ্রাম ও যমুনা নদীবেষ্টিত সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, পালপাড়া, চিনিরপটল, চকপাড়া, পবনতাইড়, থৈকরপাড়া, বাশহাটা, মুন্সিরহাট, গোবিন্দি, নলছিয়াসহ বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চণ্ডিপুর, কাপাসিয়া, তারাপুর, বেলকা, হরিপুর ও শ্রীপুর গ্রামে পানি ঢুকতে শুরু করেছে । তিস্তা ও ঘাঘট নদীবেষ্টিত সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ঘাঘট,বহ্মপুত্র ও করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের পারধুন্দিয়া গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর করাল গ্রাসে গত দুইদিনে ১৫টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়