ঢাকা, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৪ ১৪৩৩

ইমরান আল মামুন

প্রকাশিত: ০৬:৪২, ১৯ আগস্ট ২০২৬

Xi admission 2026: একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তি আবেদন

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর সারা দেশের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাঙ্গনে শুরু হয়েছে একাদশ শ্রেণির কেন্দ্রীয় অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম (Xi admission 2026)। বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে থাকা সকল সরকারি ও বেসরকারি কলেজে কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মেধাভিত্তিক শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পন্ন করা হবে।

উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তির জন্য কোনো ধরনের পৃথক লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। শিক্ষার্থীদের এসএসসির ফলাফল, মোট প্রাপ্ত নম্বর এবং পছন্দক্রমের ওপর ভিত্তি করে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল অটোমেশন প্রক্রিয়ায় কলেজ ও শাখা বরাদ্দ দেওয়া হবে। লাখ লাখ শিক্ষার্থীর এই ভর্তি প্রতিযোগিতায় সঠিক নিয়মে আবেদন করা এবং বাস্তবসম্মতভাবে কলেজের পছন্দক্রম সাজানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনলাইন পোর্টাল xiclassadmission.gov.bd-এর মাধ্যমে আবেদন করার প্রতিটি ধাপ, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ফি পরিশোধ, অটো-মাইগ্রেশন এবং কলেজ নির্ধারণের যাবতীয় তথ্য নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

Xi admission 2026: একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সূচক

বিষয় / প্যারামিটার বিস্তারিত বিবরণ
শিক্ষাবর্ষ ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষ
কেন্দ্রীয় ভর্তি পোর্টাল xiclassadmission.gov.bd
আবেদনের মাধ্যম শতভাগ অনলাইন ভিত্তিক
কলেজ পছন্দের সীমা সর্বনিম্ন ৫টি থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ
অনলাইন আবেদন ফি ২২০ টাকা (সার্ভিস চার্জ ব্যতিরেকে)
প্রাথমিক সিট নিশ্চয়ন ফি ৩৩৫ টাকা (বোর্ড রেজিস্ট্রেশন ও নিশ্চয়ন ফি)
আবেদনের যোগ্যতা ২০২৪, ২০২৫ এবং ২০২৬ সালে এসএসসি/সমমান উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী
মেধা নির্ধারণের মূল ভিত্তি এসএসসির জিপিএ (GPA) ও বিষয়ভিত্তিক মোট নম্বর
পেমেন্ট পার্টনার বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, সোনালী ওয়েব পেমেন্ট

ভর্তির যোগ্যতা ও বিভাগ পরিবর্তনের নীতিমালা

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে উত্তীর্ণ শিক্ষাবর্ষ ও বিভাগ অনুযায়ী কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম কার্যকর থাকে।

১. বিজ্ঞান বিভাগ (Science Stream)

  • বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এইচএসসিতে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা অথবা মানবিক—যেকোনো একটি শাখা বেছে নিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

  • দেশের শীর্ষস্থানীয় সরকারি ও নামকরা বেসরকারি কলেজগুলোতে বিজ্ঞান বিভাগে আবেদনের জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫০ থেকে ৫.০০ পর্যন্ত চাওয়া হয়ে থাকে।

২. ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ (Business Studies Stream)

  • ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।

  • মানসম্মত কলেজগুলোতে সাধারণ আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে জিপিএ ৩.০০ থেকে ৪.০০ নির্ধারিত থাকে।

৩. মানবিক বিভাগ (Humanities Stream)

  • মানবিক বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র মানবিক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষ শাখায় আবেদন করতে পারবেন।

  • সাধারণ কলেজগুলোতে জিপিএ ২.০০ থেকে ৩.০০ অর্জন করলেই মানবিক বিভাগে আবেদনের সুযোগ মেলে।

অনলাইনে আবেদন করার ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া

আবেদন শুরুর আগে শিক্ষার্থীর এসএসসি রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ড, পাসের সন এবং একটি সচল ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর প্রস্তুত রাখতে হবে।

ধাপ ১: আবেদন ফি প্রদান (Application Fee Payment)

অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণের আগেই মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ বা সোনালী সেবার মাধ্যমে নির্ধারিত ২২০ টাকা ফি পরিশোধ করতে হয়:

  1. আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপে (যেমন: bKash, Nagad বা Rocket) প্রবেশ করুন।

  2. Bill Pay বা Education Fee মেন্যু নির্বাচন করুন।

  3. XI Class Admission অপশনে ট্যাপ করুন।

  4. শিক্ষার্থীর শিক্ষা বোর্ড, পাসের সন (2026), এসএসসি রোল নম্বর এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর ইনপুট দিন।

  5. স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর নাম ও নির্ধারিত ফি প্রদর্শিত হলে পিন নম্বর দিয়ে ট্রানজেকশন সম্পন্ন করুন এবং প্রাপ্ত Transaction ID সংরক্ষণ করুন।

ধাপ ২: অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ ও তথ্য যাচাই

  1. যেকোনো ওয়েব ব্রাউজার ওপেন করে xiclassadmission.gov.bd পোর্টালে যান।

  2. হোমপেজে থাকা Apply Online বাটনে ক্লিক করুন।

  3. নির্দিষ্ট বক্সে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ড ও পাসের সাল সঠিকভাবে টাইপ করুন।

  4. স্ক্রিনে আসা সিকিউরিটি ক্যাপচা কোডটি পূরণ করে Next বাটনে চাপ দিন। তথ্য সঠিক থাকলে শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ অ্যাকাডেমিক তথ্য ও জিপিএ দেখা যাবে।

ধাপ ৩: মোবাইল নম্বর ও কোটা সংক্রান্ত তথ্য প্রদান

  • যে মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে ফি প্রদান করা হয়েছে, সেই একই মোবাইল নম্বরটি ইনপুট দিয়ে পুনরায় কনফার্ম করুন।

  • এই মোবাইল নম্বরেই পরবর্তীতে সিকিউরিটি পিন ও ভর্তি সংক্রান্ত সব নির্দেশনা পাঠানো হবে।

  • বিশেষ কোটা (যেমন: মুক্তিযোদ্ধা কোটা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় কোটা বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন কোটা) প্রযোজ্য হলে সংশ্লিষ্ট অপশন নির্বাচন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সনদপত্রের তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে।

ধাপ ৪: কলেজ পছন্দক্রম (College Preference List) নির্বাচন

  • ড্রপ-ডাউন মেন্যু থেকে কাঙ্ক্ষিত জেলা ও থানা নির্বাচন করে নির্দিষ্ট কলেজ বেছে নিন।

  • প্রতিষ্ঠানের শিফট (Morning/Day), ভার্সন (Bangla/English) এবং গ্রুপ (Science/Humanities/Business Studies) সিলেক্ট করুন।

  • এভাবে ক্রমানুসারে নিজের মেধা ও আগ্রহের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন।

ধাপ ৫: প্রিভিউ ও ফাইনাল সাবমিশন

  • Preview Application বাটনে ক্লিক করে পুরো পছন্দক্রম ও ব্যক্তিগত তথ্য শেষবারের মতো নিখুঁতভাবে যাচাই করুন।

  • সবকিছু ঠিক থাকলে Submit Application বাটনে চাপ দিয়ে আবেদন সম্পন্ন করুন।

  • আবেদন সফল হলে শিক্ষার্থীর মোবাইলে একটি সিকিউরিটি কোড (Security PIN) পাঠানো হবে এবং একটি প্রিন্ট কপি ডাউনলোড করার অপশন পাওয়া যাবে।

মেধা তালিকা, সিট নিশ্চয়ন ও অটো-মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া

একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদন সাধারণত তিনটি ধাপে পরিচালিত হয়ে থাকে।

আবেদন জমা (Phase 1) ➔ ১ম মেধা তালিকা প্রকাশ ➔ সিট নিশ্চয়ন (৩৩৫ টাকা) ➔ অটো-মাইগ্রেশন চালু ➔ চূড়ান্ত ভর্তি

১. মেধা তালিকা প্রণয়ন পদ্ধতি

কেন্দ্রীয় সফটওয়্যার শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার মোট জিপিএ এবং একই জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেধা তালিকা তৈরি করে।

  • বিজ্ঞান বিভাগের ক্ষেত্রে মোট নম্বর সমান হলে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞান, ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর ক্রমানুসারে বিবেচনায় নেওয়া হয়।

  • মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

২. প্রাথমিক সিট নিশ্চয়ন (Confirmation)

  • মেধা তালিকায় কোনো একটি কলেজে শিক্ষার্থী নির্বাচিত হলে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ৩৩৫ টাকা বোর্ড ফি জমা দিয়ে সিট নিশ্চয়ন করতে হবে।

  • নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চয়ন ফি না দিলে শিক্ষার্থীর বরাদ্দকৃত আসন এবং প্রাথমিক আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

৩. অটো-মাইগ্রেশন সুবিধা

  • একজন শিক্ষার্থী যদি তার পছন্দের তালিকার ১ম কলেজ ব্যতীত অন্য কোনো কলেজে (যেমন: ৩য় বা ৪র্থ কলেজ) নির্বাচিত হন এবং সিট নিশ্চয়ন করেন, তবে তার ক্ষেত্রে অটো-মাইগ্রেশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সক্রিয় থাকবে।

  • আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে অটো-মাইগ্রেশন সবসময় তালিকার উপরের দিকের পছন্দের কলেজের দিকে স্থানান্তরিত হয়। মাইগ্রেশন কখনো নিচের দিকের কলেজে ফেরত যায় না।

  • কোনো শিক্ষার্থী মাইগ্রেশন না চাইলে পোর্টালে লগইন করে অটো-মাইগ্রেশন অপশন বন্ধ (Stop Migration) করে রাখতে পারেন।

ভুল এড়াতে কলেজ পছন্দক্রম সাজানোর স্ট্র্যাটেজি

অনেকেই ভালো জিপিএ থাকা সত্ত্বেও ভুলভাবে পছন্দক্রম সাজানোর কারণে প্রথম ধাপে কোনো কলেজে সুযোগ পান না। এই জটিলতা এড়াতে নিচের কৌশল অনুসরণ করা উচিত:

  1. বাস্তবসম্মত সিলেকশন: নিজের অর্জিত জিপিএ এবং মোট নম্বরের সাথে পূর্ববর্তী বছরগুলোর কাট-অফ মার্কস মিলিয়ে কলেজ নির্বাচন করুন।

  2. তালিকা ৩টি ভাগে ভাগ করুন:

    • স্বপ্নের কলেজ (১–২টি): যেখানে আপনার জিপিএ দিয়ে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ হলেও আপনার পড়ার তীব্র ইচ্ছা রয়েছে।

    • নিশ্চিত কলেজ (৩–৫টি): যেখানে আপনার নম্বর অনুযায়ী মেধা তালিকায় নাম আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল।

    • সেফটি ব্যাকআপ (২–৩টি): কোনো কারণে উপরের কলেজগুলোতে না হলে যেন অন্তত একটি ভালো মানের প্রতিষ্ঠানে আসন নিশ্চিত হয়।

  3. লোকেশন ও যাতায়াত: বাসা থেকে প্রতিষ্ঠানের দূরত্ব, নিয়মিত যাতায়াতের সুবিধা ও পরিবহন খরচ বিবেচনা করে ক্রমানুসারে কলেজগুলো ১ থেকে ১০ নম্বরে সাজান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে সরকারি নির্ধারিত ভর্তি ফি কাঠামো

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী বেসরকারি ও সরকারি কলেজগুলোর জন্য এলাকাভেদে সর্বোচ্চ সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে:

প্রতিষ্ঠানের অবস্থান ও ধরণ সর্বোচ্চ অনুমোদিত মোট ভর্তি ফি
উপজেলা পর্যায়ের এমপিওভুক্ত কলেজ ১,০০০ – ১,৫০০ টাকা
জেলা সদর পর্যায়ের কলেজ ২,০০০ – ৩,০০০ টাকা
ঢাকা মেট্রোপলিটন ব্যতীত অন্য বিভাগীয় শহর ৩,০০০ – ৪,০০০ টাকা
ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা (এমপিওভুক্ত) ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত
ঢাকা মেট্রোপলিটন (আংশিক এমপিও বা নন-এমপিও বাংলা) ৮,০০০ – ৯,০০০ টাকা
ইংরেজি ভার্সন (নন-এমপিও) সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত

বোর্ড চ্যালেঞ্জ বা খাতা পুনঃনিরীক্ষণকারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

যেসব শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ (Board Challenge) করেছেন, তাদেরও প্রথম ধাপের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মতো আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

পরবর্তীতে বোর্ড চ্যালেঞ্জের ফলাফলে কোনো প্রার্থীর জিপিএ বা নম্বর বৃদ্ধি পেলে, শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত বিশেষ উইন্ডোতে তারা তাদের আবেদন নবায়ন এবং কলেজের পছন্দক্রম বিনামূল্যে পরিবর্তন বা সংযোজন করার সুযোগ পাবেন।

স্বায়ত্তশাসিত কয়েকটি কলেজের নিজস্ব ভর্তি পদ্ধতি

নটর ডেম কলেজ, সেন্ট জোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং হলিক্রস কলেজ—এই বিশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উচ্চ আদালতের নির্দেশনা ও নিজস্ব ভর্তি নীতিমালার আওতায় আলাদাভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে থাকে।

কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টালের বাইরে এই কলেজগুলোতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট কলেজের নিজস্ব ওয়েবসাইটে গিয়ে আলাদাভাবে আবেদন ফরম পূরণ ও নির্ধারিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।

একাদশ শ্রেণির ভর্তি সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন ১: আবেদনের পর কি কলেজের পছন্দক্রম পরিবর্তন করা সম্ভব?

উত্তর: হ্যাঁ, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে একজন শিক্ষার্থী তার অনলাইন আবেদনে সর্বোচ্চ ৫ বার পছন্দক্রম ও তথ্য সংশোধন করার সুযোগ পাবেন।

প্রশ্ন ২: সিকিউরিটি পিন (Security PIN) হারিয়ে গেলে কী করণীয়?

উত্তর: xiclassadmission.gov.bd পোর্টালে থাকা Recover Security Code অপশনে গিয়ে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ড ও নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন পিন পাওয়া যাবে।

প্রশ্ন ৩: ১ম ধাপে কোনো কলেজে নির্বাচিত না হলে কি পুনরায় আবেদন ফি দিতে হবে?

উত্তর: না, প্রথম ধাপে যারা কোনো কলেজে মনোনীত হবেন না, তারা দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পুনরায় পছন্দক্রম পরিবর্তন করে আবেদন করতে পারবেন।

প্রশ্ন ৪: একটি মোবাইল নম্বর দিয়ে কি একাধিক শিক্ষার্থীর আবেদন করা যাবে?

উত্তর: না, শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি পৃথক ও অনন্য সচল মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু সকল শিক্ষার্থীর জন্য আন্তরিক শুভকামনা। সঠিক তথ্য জেনে সময়মতো আবেদন সম্পন্ন করুন এবং উচ্চমাধ্যমিকের কাঙ্ক্ষিত পথ সুগম করুন।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়