ঢাকা, শুক্রবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ২ ১৪২৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:০৯, ৬ জুন ২০২০

মাস্ক পরা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন নির্দেশনা

মাস্ক পরা নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। নতুন নির্দেশনায় সংস্থাটি বলেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এলাকা এবং যেখানে শারীরিক দূরত্ব মানা কঠিন সেসব জায়গায় অবশ্যই মাস্ক পরে চলাচল করা উচিত। 

এর আগে তারা বলেছিল, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এবং আক্রান্ত রোগীর সেবায় নিয়োজিতদের মাস্ক পরলেই হবে। কিন্তু এখন সেই নির্দেশনা বদলে দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় ডব্লিউএইচও’র প্রধান তেদ্রোস আধানম গাব্রিয়েসাস বলেন, “নতুন প্রমাণের আলোকে যেসব জায়গায় এই ভাইরাস ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে এবং শারীরিক দূরত্বের বিষয়টি কঠিন সেসব স্থানে ডব্লিউএইচও সরকারগুলোকে জনসাধারণকে মাস্ক পরায় ব্যাপারে উৎসাহিত করার পরামর্শ দিচ্ছে।”

এর সাথে আরও বলেন, আমাদের পরামর্শ, যেসব জায়গায় শারীরিক দূরত্ব সম্ভব না, যেসব মানুষের বয়স ৬০ বা তার বেশি অথবা যাদের অবস্থা শয্যাশায়ী তাদের মেডিকেল মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।

সংস্থাটি জানায়, কেবল ফেসমাস্ক ব্যবহার করলেই করোনা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। সেই সঙ্গে এই রোগে আক্রান্তদের জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।

কারোও যদি করোনার উপসর্গ থাকে এমন ব্যক্তিদের যদি বাইরে আসতেই তাহলে অবশ্যই মেডিকেল মাস্ক পরার জন্য পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এর আগে সংস্থাটি বলেছিল, একই রুমে যারা করোনায় আক্রান্ত রোগীর সেবাযত্নে নিয়োজিত তাদেরই মেডিকেল মাস্ক পরলে চলবে। করোনা সন্দেহ রোগী এবং করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে জড়িত স্বাস্থ্যকর্মীদের মাস্ক ও অন্যান্য সুরক্ষা পোশাক পরতে বলা হয়। অহেতুক সবার মাস্ক পরার দরকার নেই।

এবার আগের নির্দেশনা থেকেও সরে এসেছে সংস্থাটি। সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিল তারা। স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ মাস্ক নিয়ে নতুন নতুন নির্দেশনাও বেধে দিয়েছে ডব্লিউএইচও।

সাধারণ মানুষরা মাস্ক তিন স্তরের হওয়া উচিত। তরের স্তরটিতে তুলা জাতীয় উপাদান থাকা দরকার, যাতে পানি শোষণ করতে পারে।

মাঝের স্তরটি সেলাইহীন পলিপ্রোপিলিন উপাদান থাকা দরকার, এই স্তর কাজ করবে ফিল্টার হিসেবে। আর বাইরের স্তরটি হওয়া উচিত পানি নিরোধক পলিস্টার জাতীয় উপাদানে।

ডব্লিউএইচও’র জরুরি বিভাগের পরিচালক মাইকেল রায়ান বলেছেন, কাপড়ের এসব মাস্ক পরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়ানোর ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে কার্যকরী এবং নিজে পরে সুরক্ষিত রাখা যায় অন্যকেও। মাস্ক পরাটাকে ‘কল্যাণজনক’ কাজ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

মাস্ক পরাকে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কার্যকরী কৌশলের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ডব্লিউএইচও’র প্রধান আধানমও।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়