ঢাকা, রোববার   ১৯ এপ্রিল ২০২৬,   বৈশাখ ৬ ১৪৩৩

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:২৭, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জরুরি বৈঠক নিয়ে ধোঁয়াশা, পিসিবির চিঠির অপেক্ষায় আইসিসি

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারত ও পাকিস্তানের। তবে ওই ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এই হুমকিকে ঘিরে সৃষ্ট অচলাবস্থা এখনো কাটেনি; বরং পরিস্থিতি আগের জায়গাতেই স্থবির হয়ে আছে।

এর মধ্যেই রোববার বিকাল থেকে ভারত ও পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আইসিসির জরুরি বোর্ড সভা বসতে পারে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে ক্রিকেটভিত্তিক নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ জানায়, এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি নেই।

ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির ১৬ সদস্যের বোর্ড পরিচালকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা সবাই জানান কোনো জরুরি সভার বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। একই সঙ্গে জানা গেছে, ভারত ম্যাচ বয়কটের বিষয়ে পিসিবি এখনো আইসিসিকে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি পাঠায়নি।

বর্তমানে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আলোচনার ভিত্তি হিসেবে রয়েছে কেবল পাকিস্তান সরকারের একটি ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) পোস্ট। তবে আইসিসির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কোনো বক্তব্যকে দাপ্তরিক যোগাযোগ হিসেবে গণ্য করা হয় না।

এ অবস্থায় আইসিসি রোববার রাতে এক কড়া বিবৃতিতে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে বেছে বেছে খেলার সুযোগ নেই। সংস্থাটি বল এখন পুরোপুরি পিসিবির কোর্টে ঠেলে দিয়েছে।

আইসিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, “পিসিবির আনুষ্ঠানিক চিঠির অপেক্ষায় রয়েছে আইসিসি। তবে বৈশ্বিক আসরে বাছবিচার করে খেলার অবস্থান মেনে নেওয়া কঠিন। আইসিসির টুর্নামেন্টগুলো সততা, প্রতিযোগিতা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। এ ধরনের আচরণ টুর্নামেন্টের পবিত্রতা ক্ষুণ্ণ করে।”

ক্রিকবাজ আরও ইঙ্গিত দিয়েছে, শেষ পর্যন্ত হয়তো পিসিবি তাদের অবস্থান থেকে সরে এসে আইসিসির নিয়ম মেনেই খেলতে রাজি হবে। উদাহরণ হিসেবে তারা টেনেছে গত বছরের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের একটি ম্যাচের কথা। সে সময় সারা দিন টুর্নামেন্ট বয়কটের হুমকি দিলেও ম্যাচ শুরুর মাত্র আধাঘণ্টা আগে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পিসিবি।

কলম্বোয় অনুষ্ঠেয় আসন্ন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে এখনো প্রায় দুই সপ্তাহ সময় বাকি। ফলে পাকিস্তান আবারও ‘ইউ-টার্ন’ নেবে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। সময়ই বলে দেবে শেষ পর্যন্ত মাঠেই নিষ্পত্তি হবে কি না এই হাইভোল্টেজ লড়াই।

ইএন/এসএইচএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়