মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
দরিদ্র মোক্তার বেগমের ঘরে ছাত্রলীগের ঈদ উপহার
উপহার পেয়ে মোক্তার বেগমের ভাইয়ের ছেলে সায়েদ মিয়া বলেন, ‘হুফু দেখলে খুশিতে কানবা (কাঁদবেন)। আফনারা (আপনারা) গেলেগি আইয়া জানলে খুব তুকাইবা (খুঁজবেন)’।
বয়োজ্যেষ্ঠ দরিদ্র মোক্তার বেগম। ঘরে খাবার নেই, থাকার নিজের ঘর নেই। স্বামী মারা গেছেন দেড় যুগ আগে। একমাত্র দরিদ্র মেয়েরও মাকে খাওয়ানোর সামর্থ্য নেই। থাকেন ভাইয়ের ছেলের জায়গায়। সেই দরিদ্র মোক্তার বেগম বরাদ্দ পেয়েছেন দুইশতক ভূমিসহ প্রধানমন্ত্রীর উপহার সেমিপাকা ঘর।
গণমাধ্যমে মোক্তার বেগমের সংবাদ পড়ে তার খোঁজে প্রতিনিধি পাঠায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নির্দেশক্রমে মোক্তার বেগমের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার নিয়ে ছুটে যান সম্মিলিত বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের উপ-সমাজসেবা সম্পাদক এম. এম তানজীম জয়।
এম. এম তানজীম জয় আই নিউজকে বলেন, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আমতৈল ইউনিয়নের খুশহালপুর গ্রামের এক প্রত্যন্ত জায়গায় অস্থায়ীভাবে থাকছেন মোক্তার বেগম। প্রায় দেড়ঘন্টা অপেক্ষা করার পরও মোক্তার বেগমকে পাওয়া যায়নি। জানতে পারি আর্থিক অনটনে জর্জরিত মোক্তার বেগম গ্রামের মানুষের কাছে ফিতরা-যাকাত সংগ্রহ করতে গেছেন। শেষমেশ তাকে না পেয়ে তার ভাইয়ের ছেলের কাছে গ্রামের নারী ইউপি সদস্য আলেয়া বেগমের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পাঠানো ঈদ উপহার পোলাওয়ের চাল, সেমাই, গুড়া দুধ, চিনি, বিস্কিট, ট্যাংক শরবত ইত্যাদি তুলে দেই।
উপহার পেয়ে মোক্তার বেগমের ভাইয়ের ছেলে সায়েদ মিয়া বলেন, ‘হুফু দেখলে খুশিতে কানবা (কাঁদবেন)। আফনারা (আপনারা) গেলেগি আইয়া জানলে খুব তুকাইবা (খুঁজবেন)’।
জয় বলেন, এসময় মোক্তার বেগমের এলাকার নারী সদস্যের সাথে ভিডিওকলে কথা বলেন এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক আল-আমিন রহমান। তিনি মোক্তার বেগম এবং তার পরিবারের যেকোন প্রয়োজনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পাশে আছে এবং থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।
প্রসঙ্গত গত মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সারাদেশের সাথে মৌলভীবাজার জেলার ৪৯৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ভার্চুয়ালি জমি ও গৃহের দলিল হস্তান্তর করেন। মোক্তার বেগম এ কর্মসূচির আওতায় একটি ঘর পেয়েছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজার জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ৪ হাজার ৩২৪ টি পরিবার আছে। এরমধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পে প্রথম ধাপে ঘর বরাদ্ধ পেয়েছেন ১১২৬ পরিবার, দ্বিতীয় ধাপে পেয়েছেন ১১৫১ পরিবার এবং তৃতীয় ধাপে পেয়েছেন ৭৭৯ পরিবার। তৃতীয় ধাপে গৃহহীনদের মধ্যে বরাদ্দকৃত ৭৭৯টি ঘরের মধ্যে ৪৯৫টি ঘর ও জমির কাগজপত্র উপকারভোগীর মধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে উপকারভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এতে দুই সপ্তাহের মতো সময় লাগতে পারে। তখন মোক্তার বেগমও নিজের ঘরে উঠতে পারবেন।
আইনিউজ/এমজিএম
আইনিউজ ভিডিও
বৃদ্ধ বয়সে নামাজ পড়তাম, ঘরে বসে খাইতাম, কে খাওয়াবে! | বৃদ্ধের কষ্ট
শবে বরাত ভাগ্যরজনীর রাত, যে রাতে আল্লাহ মানুষের রিযেক-ধনদৌলত-আয়ু দান করেন
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার

























