তাহিরপুর প্রতনিধি
তাহিরপুরে জোড়া খুনের মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড
সুনামগঞ্জের তাহির উপজেলার পূর্ব শত্রুতার জেরে গুলি করে দুই ব্যক্তিকে হত্যা মামলায় দু’জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ নুরুল আলম মোহাম্মদ নিপু এই রায় দেন। আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন হলেন- আবদুল হান্নান ওরফে যাত্রা মিয়া ও শাসছুদ্দিন ওরফে শামছু মিয়া।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আবদুল মান্নান, ইনু মিয়া, রেনু মিয়া, হামদু মিয়া, আফজল মিয়া, জালাল উদ্দিন, আবদুল নূর, সবুজ মিয়া, বাবুল মিয়া, আলকাছ মিয়া, বাদল মিয়া, রহমত আলী ও মনু মিয়া। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বাড়ি জেলার তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের কামদেবপুর গ্রামে।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, তাহিরপুর উপজেলার কামদেবপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের পূর্ববিরোধ ছিল। এর জেরে ২০০০ সালে ১৮ মার্চ এক পক্ষের লোকজনের হাতে অন্য পক্ষের একজন মারধরের শিকার হন।
পরদিন সকালে এ নিয়ে গ্রামে সালিস হওয়ার কথা ছিল। ওই সালিসে যাওয়ার সময় পথে প্রতিপক্ষের লোকজনের গুলিতে আরপান আলী ও মতিউর রহমান গুরুতর আহত হন। পরে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর তারা মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের আত্মীয় আতাউর রহমান ওই দিনই তাহিরপুর থানায় ২৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০১ সালের ৩১ মার্চ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। মামলার বিচার কাজ চলাকালে ৯ জন আসামির মৃত্যু হয়। মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আদালত রায় দেন।
আইনিউজ/এসডিপি
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার

























