ঢাকা, সোমবার   ২৫ মে ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪৩৩

আইনিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৫৮, ১৭ জুন ২০২২
আপডেট: ২০:২৪, ১৭ জুন ২০২২

টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে বন্যায় আটকা ঢাবির ২১ শিক্ষার্থী

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২১ জন শিক্ষার্থী বন্যা পরিস্থিতিতে আটকা পড়েছেন। তিন দিন আগে ঘুরতে যাওয়া ওই শিক্ষার্থীরা বর্তমানে স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে আশ্রয় নিয়েছেন। শুক্রবার (১৭ জুন) এক প্রতিবেদনে জানা যায়, আটকা পড়া ঢাবির ২১ শিক্ষার্থীরা তাদের এই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারের আরজি জানিয়েছিলেন। পরে তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুরোধে জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে তাদের জেলা পুলিশ লাইন্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আটকা পড়া শিক্ষার্থীদের একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মো. শোয়াইব জানান, তিন দিন আগে তারা টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে যান। বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়। ফলে তারা খাবার, সুপেয় পানিসহ নানা সংকটে দুরবস্থার মধ্যে ছিলেন।

এ পরিস্থিতিতে তারা সুনামগঞ্জ শহরের “পানসী” নামের একটি রেস্টুরেন্টে আশ্রয় নেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন ছাত্রীও ছিলেন। সেখানে তারা আরও অনেকের সঙ্গে আটকা ছিলেন।

শোয়াইব আহমেদ বলেন, “আমরা এখানে খাবার, সুপেয় পানির সংকটে ছিলেন। এখানে শৌচাগারের ব্যবস্থাও ছিলো না। এখানে ফোনের নেটওয়ার্কও ঠিকমতো কাজ করছে না। সব মিলিয়ে আমরা খুব দুরবস্থা। আমাদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা কাজ ছিলো। উদ্ধারের জন্য আমরা আরজি জানাই।”

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে সুনামগঞ্জের পানসী রেস্তোরাঁ থেকে আমাদের উদ্ধার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে নিয়ে আসা হয়েছে। যদিও এখানে তেমন অবস্থা ভালো না। পুলিশ লাইন্সের ভেতরেও আমরা হাঁটু পানিতে আছি। দুপুরের খাওয়া-দাওয়া করেছি, এখানে রাতের খাবারের ব্যবস্থা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আর্মি কন্ট্রোলারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। উনারা স্পিডবোট পাঠাচ্ছেন। এরপর আমরা সিলেট চলে যাব। সেখান থেকে ঢাকায় ফিরব। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর ও আমাদের বিভাগের চেয়ারম্যান সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখছেন।

সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) দেবজিৎ সিংহ বলেন, “সুনামগঞ্জে বন্যায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীকে তৎপরতা চালানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।”

উল্লেখ্য, সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ফলে সারা দেশের সঙ্গে সুনামগঞ্জের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। জেলার প্রায় সব উপজেলাই কম-বেশি প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার কয়েক লাখ মানুষ।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়