ইমরান আল মামুন
গুচ্ছ সি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ঘিরে নতুন আপডেট
গুচ্ছ সি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল ও আলোচনা। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে এক ঘণ্টার এই পরীক্ষা শেষ হয় দুপুর ১২টায়।
পরীক্ষা শেষ হতেই শিক্ষার্থীরা এখন প্রশ্নের ধরন, কঠিনতা এবং সম্ভাব্য কাট নম্বর নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিশেষ করে গুচ্ছ সি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন কেমন হয়েছে—তা নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা।
এক নজরে পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুচ্ছ সি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের ২১টি কেন্দ্রে একযোগে নেওয়া এই পরীক্ষা ছিল সময়সীমা অনুযায়ী মাত্র ১ ঘণ্টার।
- মোট নম্বর: ১০০
- পাস নম্বর: ৩০
- ভুল উত্তরের জন্য কাটা হয়েছে: ০.২৫ নম্বর
- প্রশ্নের ধরন: বহুনির্বাচনী (MCQ)
- এই কাঠামো অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের যথেষ্ট সতর্কতার সাথে প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে, কারণ নেগেটিভ মার্কিং অনেকের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আবেদনকারীর সংখ্যা ও প্রতিযোগিতার চিত্র
এবারের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা ছিল বেশ তীব্র। গুচ্ছ সি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের জন্য আবেদন করেছে ২৫ হাজার ২১৬ জন শিক্ষার্থী।
অন্যদিকে—
- ‘এ’ ইউনিটে (বিজ্ঞান) আবেদন: ১,৬৬,১৬২ জন
- ‘বি’ ইউনিটে (মানবিক) আবেদন: ৯৩,১০২ জন
গুচ্ছের ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন রয়েছে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। ফলে সি ইউনিটেও প্রতিযোগিতা ছিল উল্লেখযোগ্য, যদিও আবেদনকারীর সংখ্যা তুলনামূলক কম।
পরীক্ষার পরিবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গুচ্ছ সি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস বা অনিয়ম রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি।
- প্রতিটি কেন্দ্রে ছিল মেডিকেল টিম
- প্রক্টরিয়াল বডি সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছে
- বিএনসিসি, রোভার স্কাউটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ছিল
এতে করে সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
প্রশ্নের মান কেমন ছিল? শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া
পরীক্ষা শেষে অনেক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, গুচ্ছ সি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ছিল “মধ্যম মানের”। কিছু প্রশ্ন সহজ হলেও কয়েকটি অংশে জটিলতা ছিল।
বিশেষ করে—
- গণিত অংশে কিছু প্রশ্ন ছিল সময়সাপেক্ষ
- ব্যবসায়িক জ্ঞান অংশ তুলনামূলক সহজ
- ইংরেজি অংশে ভোকাবুলারি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং
এই মিশ্র অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে কাট মার্ক নিয়ে।
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্য
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় গত ৭ ডিসেম্বর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। এরপর ১০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে আবেদন প্রক্রিয়া।
যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করতে পেরেছেন—
- ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালের এসএসসি বা সমমান উত্তীর্ণরা
- ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এইচএসসি বা সমমান উত্তীর্ণরা
এছাড়া এবার শিক্ষার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে “সেকেন্ড টাইম” আবেদনের সুযোগ, যা অনেকের জন্য বড় একটি স্বস্তির বিষয়।
ফলাফল ও পরবর্তী ধাপ নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
গুচ্ছ সি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে বিশ্লেষণ শেষ না হতেই শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি এখন ফলাফলের দিকে। সাধারণত পরীক্ষা শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
ফল প্রকাশের পর—
- মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে
- বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে
- বিষয় নির্বাচন ও ভর্তি নিশ্চিতকরণ ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে
সব মিলিয়ে গুচ্ছ সি ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা এখনো তুঙ্গে। পরীক্ষার পরিবেশ ভালো হলেও প্রশ্নের মান নিয়ে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফলাফল এবং পরবর্তী ভর্তি প্রক্রিয়া। যারা ভালো পরীক্ষা দিয়েছেন, তারা আশাবাদী। অন্যদিকে অনেকেই কাট নম্বর নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন।
পরীক্ষা শেষ হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য আসল লড়াই এখনো বাকি। সামনে ফলাফল, মেধা তালিকা এবং চূড়ান্ত ভর্তি—সবকিছু মিলিয়ে এখনই সময় ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার।
- শাবির ৭২ টি সিসি ক্যামেরার মধ্যে ৫৩ টিই বিকল
- শাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন, চলছে ভোটগ্রহণ
- ৪৯ তম বেফাক পরীক্ষার রেজাল্ট ২০২৬ দেখার সহজ উপায়
- বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ ২০২৬ রেজাল্ট প্রকাশ
- এসএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ এর রেজাল্ট ২০২৩
- মাস্টার্স পরীক্ষার ফলাফল ২০২৫
- এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট ২০২৩ | এসএসসি ফলাফল
- অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষা রুটিন ২০২৩
- বেফাক পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ প্রকাশের আপডেট
- এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট ২০২৩ কবে হবে

























