ঢাকা, রোববার   ১৮ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৫ ১৪২৮

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪:৫১, ১২ মার্চ ২০২১

ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বসতেন ভূয়া এফসিপিএস ডাক্তার, অভিযানে প্রশাসন

এফসিপিএস ডাক্তার। তিনি ভিজিটও নেন উচ্চ মূল্যে। বসেন শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। কিন্তু সাংবাদিকদের কাছে খবর- ওই এফসিপিএস চিকিৎসকের কোনো ডিগ্রি নাই।

সংবাদটি প্রচার হয় গণমাধ্যমে। বিষয়টি নজরে আসে প্রশাসনের। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালনা করা হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্তু পাওয়া যায়নি সেই ‘এফসিপিএস চিকিৎসক’কে। তিনি পলাতক। আর যাচাই না করে একজন ভুয়া চিকিৎসককে চেম্বার করতে দেওয়ায় লজ্জিত ও অনুতপ্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি ঘটেছে পর্যটন জেলা শহর মৌলভীবাজারে।

যাচাই বাছাই না করেই এমন ব্যক্তিকে তাদের কনসালটেশন চেম্বার করতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ অপরাধের কারণে ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ অনুতপ্ত। ভবিষ্যতে এই ভুলের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না মর্মে ব্যবস্থাপক মুচলেকা দিয়েছেন। -নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা

ভুয়া এফসিপিএস ডাক্তার উচ্চ ভিজিট নিয়ে চেম্বারে রোগী দেখছেন- এমন শিরোনামে গণমাধ্যমে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর সেই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া সুলতানার তত্ত্বাবধানে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন। তবে সেই চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি। তিনি পলাতক রয়েছেন। মো. মনিরুল ইসলাম নামে ওই ভুয়া চিকিৎসক মৌলভীবাজার শহরের ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ পরিচয়ে রোগী দেখতেন।

বৃহস্পতিবারের অভিযানে তাকে না পেলেও অভিযানের সত্যতা পেয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা বলেন, ভুয়া ডাক্তারকে পাওয়া না গেলেও, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সঞ্জিত যাদব জানিয়েছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি এখন আর ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে চেম্বারে বসছেন না। যাচাই বাছাই না করেই এমন ব্যক্তিকে তাদের কনসালটেশন চেম্বার করতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ অপরাধের কারণে ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ অনুতপ্ত। ভবিষ্যতে এই ভুলের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না মর্মে ব্যবস্থাপক মুচলেকা দিয়েছেন বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা।

অভিযানে অংশ নেন মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকিল অফিসার ডা. ইকবাল হাসান এবং ডা. রবিউস সানি। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহযোগিতা করে সদর মডেল থানা পুলিশের একটি দল।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়