ঢাকা, রোববার   ১৪ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪৩৩

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫:১০, ৩০ মার্চ ২০২১
আপডেট: ১৫:১০, ৩০ মার্চ ২০২১

খরা মোকাবেলা করে ও হাইব্রিড ঢেঁড়স আশার আশানুরূপ ফলন

গ্রীষ্মের প্রচন্ড তাপদাহে পানির অভাবে চাষাবাদ বিঘ্নিত হচ্ছে,তবুও মাটির কারিগররা বসে নেই। স্বপ্ন বুনছেন হাইব্রিড ঢেঁড়স আশা জাতটিকে ঘিরে।

শ্রীমঙ্গল ঠিকরিয়া গ্রামের সেতু কপালি ও অঞ্জন কপালীসহ  অনেকেই জানান, এবার তারা প্রথম লালতীরের হাইব্রিড ঢেঁড়স আশা জাতটি চাষ করছেন। কিন্তু এ বছর বৃষ্টিপাত না হওয়াতে তাদের স্বাভাবিক চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। পাশের গ্রামে একটি ডিপ টিউবওয়েল আছে  সেটির পানি ও পর্যাপ্ত সরবরাহ করা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এর মাঝে তারা এবার প্রথম হাইব্রিড ভেন্ডি আশা চাষ করছে। ফলন আসতে শুরু করেছে, দুই চার দিনের ভিতরে ফলন উঠানো শুরু করতে পারবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। 

তারা জানান, খরার মধ্যেও ফলন আশানুরুপ। তবে পানি পেলে আরো বেশি হতো। ভালো দামও পাওয়া যেতো। বাজারে আগাম দাম এখন পর্যন্ত প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু পানির অভাবে তা ব্যাহত হচ্ছে। 

এ প্রসঙ্গে হাইব্রিড হাইব্রিড ঢেঁড়স বীজ এর উৎস প্রতিষ্ঠান লাল তীর সীড লিমিটেড এর বিভাগীয় ব্যবস্থাপক তাপস চক্রবর্তী জানান, কপালি পাড়ার কৃষকরা সাধারণত নানা  প্রতিকূলতার মাঝেও লড়াই করে তাদের সবজি উৎপাদন অব্যাহত রাখেন। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর তারা লাল তীর সীড লিমিটেড এর হাইব্রিড ঢেঁড়স আশা জাতটি চাষ করেছেন।

এ জাতটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো ঢেঁড়স এর জন্য ক্ষতিকারক হলুদ মোজাইক ভাইরাস প্রতিরোধী একটি জাত এটি।  এটি কিছুটা খরা সহিষ্ণুও। এছাড়া গাঢ় সবুজ বর্ণের ফল ধরে ও মাঝারি  আকৃতির ফল ১০ থেকে ১২ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে। গাছ প্রতি ফল ধরে ৫৫ থেকে ৬০ টি । এই জাতটি চাষ করতে বীজ লাগে প্রতি শতাংশে ২০ গ্রাম। এর বপনকাল  ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর। আশা জাতটির ফলন ৪০ থেকে ৪৫ দিন ফসল  সংগ্রহ করা যায়। উত্তম পরিচর্যায় একর প্রতি ফলন হয় ১২ থেকে ১৪ টন।

তিনি আরো বলেন, বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজির চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি  কৃষকরা সঠিক সময়ে এবার  উপযুক্ত দাম পাবেন। তাছাড়া বর্তমানে বাজারে শীতকালীন সবজি শেষ এই ঘাটতি পূরণে একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়