মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
মৌলভীবাজারে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদবাজার
ছবি: আই নিউজ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মৌলভীবাজারে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলার মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। তবে চাহিদার তুলনায় পোশাকের দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতার মধ্যে অসন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে।
জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলার গ্রামগঞ্জের হাটবাজার থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি কাপড়, কসমেটিকস ও জুতার দোকানে এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। রমজানের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে ক্রেতা কম থাকলেও ২০ রোজার পর থেকেই কেনাকাটা জমে ওঠে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে রঙিন পোশাক কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নারী-পুরুষ ও তরুণ-তরুণীরা।
ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর পোশাকের দাম তুলনামূলক বেশি। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পোশাকের দাম বেশি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন ক্রেতারা। তারপরও সামর্থ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করছেন সবাই- কেউ শপিংমল থেকে, আবার কেউ ফুটপাতের দোকান থেকেও কিনছেন।
সরেজমিনে শ্রীমঙ্গল উপজেলার কয়েকটি বড় পাইকারি মার্কেট ও শপিংমলে গিয়ে দেখা যায়, ঈদকে সামনে রেখে কেনাবেচা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্থানীয় দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি বিদেশি পোশাকের প্রতিও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
জেলা শহরের একটি শপিংমলে কেনাকাটা করতে আসা ইসরাত জাহান সামিয়া বলেন, “পরিবারের সবার জন্য কাপড় কিনতে এসে বাজেট অনেকটাই ছাড়িয়ে গেছে। ছোট বাচ্চাদের পোশাক কিনতেই কয়েক হাজার টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। দাম যেন প্রতিদিনই বাড়ছে।”
একই অভিজ্ঞতার কথা জানান নিম্নআয়ের ক্রেতা রাজন আবেদিন। তিনি বলেন, “যে টাকা নিয়ে এসেছিলাম, তাতে সব কেনা সম্ভব হচ্ছে না। তবুও বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকিয়ে কিছু না কিছু কিনতেই হচ্ছে।”
অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাড়তি দামের জন্য তারা এককভাবে দায়ী নন। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে, যার প্রভাব খুচরা বাজারে পড়ছে। এক পাইকারি ব্যবসায়ী জানান, “আগে যে পোশাক ৩ হাজার টাকায় পাওয়া যেত, এখন সেটি ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। ফলে কম দামে বিক্রি করলেও লাভের পরিমাণ কমে যাচ্ছে।”
ঈদকে ঘিরে কেনাকাটার ধরণেও পরিবর্তন এসেছে। প্রচলিত মার্কেটের পাশাপাশি অনলাইন শপিংয়ের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। বিশেষ করে তরুণ ও কর্মজীবীরা সময় বাঁচাতে অনলাইনে পোশাক ও অন্যান্য পণ্য অর্ডার করছেন এবং ঘরে বসেই ডেলিভারি নিচ্ছেন।
জাহেদ নামে এক কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, “আমাদের দোকান গ্রামীণ বাজারে। ঈদকে সামনে রেখে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। তবে আমরা কম লাভে কাপড় বিক্রি করছি। মূলত পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ায় ক্রেতা ও বিক্রেতা- উভয়েই চাপে আছেন।”
এদিকে বাজারে অতিরিক্ত মূল্য আদায় ঠেকাতে তৎপর রয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন জানান, “ঈদ উপলক্ষে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দাম নিলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ইএন/এসএ
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার

























