ঢাকা, বুধবার ২৬ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১১ ১৪৩৩

ইমরান আল মামুন

প্রকাশিত: ০৭:০১, ২৬ আগস্ট ২০২৬

কুয়েট ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা: স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি

দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রকৌশল বিদ্যাপীঠ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়।

প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষায় ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী দেশের লাখ লাখ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য কুয়েটের এই ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনক্রমে ঘোষিত এই ভর্তি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী যোগ্য শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘোষিত সময়সূচি, অনুষদভিত্তিক আসন বিন্যাস, আবেদনের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশ্নপদ্ধতি, মানবণ্টন এবং পরীক্ষার হলের নির্দেশনাসহ পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন নিচে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হলো।

কুয়েট ভর্তি পরীক্ষা: একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও তারিখ

বিষয় / সূচক বিস্তারিত বিবরণ ও নির্ধারিত তথ্য
বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KUET)
শিক্ষাবর্ষ স্নাতক প্রথম বর্ষ (লেভেল-১ টার্ম-১)
অফিসিয়াল ভর্তি পোর্টাল admission.kuet.ac.bd
আবেদনের মাধ্যম সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক
গ্রুপ বিভাজন গ্রুপ ‘ক’ (ইঞ্জিনিয়ারিং ও ইউআরপি) এবং গ্রুপ ‘খ’ (ইঞ্জিনিয়ারিং, ইউআরপি ও আর্কিটেকচার)
পরীক্ষার ধরন লিখিত (লিখিত ও বর্ণনামূলক সমস্যা সমাধান) ও অঙ্কন পরীক্ষা
কেন্দ্রীয় হেল্পলাইন admission@kuet.ac.bd

ভর্তি পরীক্ষার অনুষদ ও বিভাগভিত্তিক আসন বিন্যাস

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি মূল অনুষদের অধীনে মোট ১৬টি বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়। মেধা তালিকার ভিত্তিতে সাধারণ আসন ছাড়াও সংরক্ষিত কোটায় কিছু আসন বরাদ্দ থাকে।

১. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ (Faculty of Civil Engineering)

  • সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE) – ১২০টি আসন

  • আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং (URP) – ৬০টি আসন

  • বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট (BECM) – ৬০টি আসন

  • আর্কিটেকচার (Arch) – ৪০টি আসন

২. ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ (Faculty of EEE)

  • ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) – ১২০টি আসন

  • কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) – ১২০টি আসন

  • ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ECE) – ৬০টি আসন

  • বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (BME) – ৩০টি আসন

  • মেটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (MSE) – ৬০টি আসন

৩. মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ (Faculty of Mechanical Engineering)

  • মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ME) – ১২০টি আসন

  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (IEM) – ৬০টি আসন

  • এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ESE) – ৩০টি আসন

  • কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ChE) – ৩০টি আসন

  • মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (MTE) – ৩০টি আসন

  • লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং (LE) – ৬০টি আসন

  • টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (TE) – ৬০টি আসন

সংরক্ষিত কোটাভিত্তিক আসন

  • পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং বান্দরবান জেলার স্থায়ী অধিবাসীদের জন্য বিশেষ সংরক্ষিত আসন থাকে।

  • বীর মুক্তিযোদ্ধা কোটা ও অন্যান্য সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংরক্ষিত আসন কার্যকর থাকবে।

আবেদনের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ও শর্তাবলি

কুয়েটে প্রকৌশল বিভাগসমূহে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে নির্দিষ্ট গ্রেড পয়েন্ট ও বিষয়ভিত্তিক নম্বর অর্জন করতে হয়:

১. সাধারণ শিক্ষাগত যোগ্যতা:

  • প্রার্থীকে দেশের যেকোনো মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড অথবা মাদ্রাসা/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে উত্তীর্ণ হতে হবে।

  • মাধ্যমিক (এসএসসি) ও উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ (স্কেল ৫.০০-এর মধ্যে) থাকতে হবে।

২. বিষয়ভিত্তিক গ্রেড ও পয়েন্টের শর্ত:

  • এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজি—এই চারটি বিষয়ের প্রতিটিতে আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপি ৫.০০ অথবা নির্দিষ্ট মোট গ্রেড পয়েন্ট (যেমন: চার বিষয়ে মোট গ্রেড পয়েন্ট ১৮.০০ থেকে ২০.০০) থাকতে হবে।

  • আর্কিটেকচার বিভাগে আবেদনের ক্ষেত্রে মুক্তহস্ত অঙ্কন বা ড্রয়িংয়ের জন্য অতিরিক্ত যোগ্যতা যাচাই করা হয়।

৩. বিদেশি বা সমমানের ডিগ্রিধারী (GCE O/A Level):

  • জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ৫টি বিষয়ে এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নসহ ন্যূনতম ‘বি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা সমমান সনদের ভিত্তিতে আবেদন করতে পারবেন।

অনলাইনে আবেদন করার ধাপে ধাপে পদ্ধতি

কুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ভর্তি সার্ভারের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

ভর্তি পোর্টালে প্রবেশ ➔ এসএসসি ও এইচএসসি তথ্য প্রদান ➔ গ্রুপ নির্বাচন (ক/খ) ➔ ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড ➔ ফি পরিশোধ ➔ প্রবেশপত্র সংগ্রহ

ধাপ ১: রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য যাচাই

  1. ব্রাউজার ওপেন করে admission.kuet.ac.bd পোর্টালে যান।

  2. আপনার এইচএসসি ও এসএসসির রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষা বোর্ড এবং পাসের সন সঠিকভাবে ইনপুট দিন।

  3. সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রার্থীর অ্যাকাডেমিক তথ্য ও প্রাপ্ত জিপিএ যাচাই করে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাবে।

ধাপ ২: গ্রুপ ও ব্যক্তিগত তথ্য নির্বাচন

  • আপনি শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং ও ইউআরপি পড়তে চাইলে গ্রুপ ‘ক’ নির্বাচন করবেন।

  • যদি ইঞ্জিনিয়ারিং ও ইউআরপির পাশাপাশি আর্কিটেকচার (স্থাপত্য) বিভাগেও পরীক্ষা দিতে চান, তবে গ্রুপ ‘খ’ নির্বাচন করতে হবে।

ধাপ ৩: ছবি ও ডিজিটাল স্বাক্ষর আপলোড

  • সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের স্পষ্ট রঙিন ছবি (নির্দিষ্ট পিক্সেল ও সাইজে) আপলোড করুন।

  • সাদা কাগজে প্রার্থীর স্পষ্ট স্বাক্ষর স্ক্যান করে আপলোড নিশ্চিত করুন।

ধাপ ৪: আবেদন ফি পরিশোধ

  • মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট) অথবা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত আবেদন ফি প্রদান করতে হবে।

  • ফি পরিশোধ সফল হলে স্ক্রিনে একটি মানি রসিদ ও রেজিস্ট্রেশন কনফার্মেশন স্লিপ পাওয়া যাবে।

পরীক্ষার মানবণ্টন ও প্রশ্নের কাঠামো

কুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও ইংরেজি পাঠ্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়। প্রকৌশল ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণত লিখিত সমস্যা সমাধানের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বিষয় গ্রুপ ‘ক’ নম্বর গ্রুপ ‘খ’ নম্বর প্রশ্নের ধরন
উচ্চতর গণিত ১৫০ নম্বর ১৫০ নম্বর লিখিত ও সমস্যা সমাধান
পদার্থবিজ্ঞান ১৫০ নম্বর ১৫০ নম্বর গাণিতিক ও ধারণাগত সমস্যা
রসায়ন ১৫০ নম্বর ১৫০ নম্বর তত্ত্বীয় ও রাসায়নিক গণনা
ইংরেজি ৫০ নম্বর ৫০ নম্বর গ্রামার ও ফাংশনাল ইংলিশ
মুক্তহস্ত অঙ্কন (Architecture) প্রযোজ্য নয় ১০০ নম্বর ফ্রি-হ্যান্ড ড্রয়িং ও ভিজ্যুয়াল টেস্ট
মোট নম্বর ৫০০ নম্বর ৬০০ নম্বর লিখিত পরীক্ষা

পরীক্ষার হলে মানতে হবে যেসব কঠোর বিধিনিষেধ

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য কুয়েট কর্তৃপক্ষ বিশেষ কিছু নির্দেশনা জারি করেছে:

  1. প্রবেশপত্র ও মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড: ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের রঙিন প্রিন্ট কপি এবং এইচএসসি পরীক্ষার মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড পরীক্ষা কেন্দ্রে সঙ্গে আনা বাধ্যতামূলক।

  2. অনুমোদিত ক্যালকুলেটর তালিকা: পরীক্ষা হলে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত নন-প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর (যেমন: fx-570MS, fx-991MS, fx-991ES Plus ইত্যাদি মডেলের অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী) ব্যবহার করা যাবে। কোনো ধরনের মেমোরি-সংবলিত বা প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

  3. ইলেকট্রনিক ডিভাইস সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: মোবাইল ফোন, ডিজিটাল বা স্মার্ট ওয়াচ, ব্লুটুথ ডিভাইস, ইয়ারফোন বা কোনো প্রকার ইলেকট্রনিক গ্যাজেট নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

  4. সময়ানুবর্তিতা: পরীক্ষা শুরু হওয়ার অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট পূর্বে নির্ধারিত পরীক্ষা ভবনে প্রবেশ করে আসন গ্রহণ করতে হবে।

কুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় সফল হওয়ার ৫টি টেকনিক্যাল টিপস

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা দেশের সবচেয়ে প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরীক্ষাগুলোর একটি। এই পরীক্ষায় সাফল্য পেতে নিচের কৌশলগুলো মেনে চলা অত্যন্ত কার্যকর:

  1. মূল বইয়ের বেসিক থিওরি স্পষ্ট রাখা: ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষায় সরাসরি মুখস্থ প্রশ্ন আসে না বললেই চলে। প্রতিটি সূত্রের পেছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও ডেরিভেশন নিখুঁতভাবে বোঝা প্রয়োজন।

  2. গাণিতিক সমস্যা সমাধানের গতি বৃদ্ধি: লিখিত পরীক্ষায় অল্প জায়গায় এবং সীমিত সময়ে জটিল ক্যালকুলেশন সম্পন্ন করার জন্য নিয়মিত হাত চালু রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

  3. বিগত ১০ বছরের প্রশ্ন ব্যাংক বিশ্লেষণ: কুয়েটের বিগত বছরগুলোর প্রশ্ন সমাধান করলে প্রশ্নের গভীরতা ও পুনরাবৃত্ত প্যাটার্ন সম্পর্কে বাস্তব ধারণা তৈরি হয়।

  4. ইংরেজি ও রসায়নের ভারসাম্য: অনেকেই গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে অতিরিক্ত সময় দিয়ে রসায়ন ও ইংরেজি অবহেলা করেন। অথচ রসায়ন ও ইংরেজির ভালো মার্কসই মেধা তালিকার শীর্ষে স্থান নিশ্চিত করে।

  5. ঘড়ি ধরে নিয়মিত মডেল টেস্ট: পরীক্ষার হলের চাপ সামলাতে এবং নেগেটিভ মার্কিং বা সময় অপচয় এড়াতে বাসায় বসে পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট দেওয়া অপরিহার্য।

মেধা তালিকা প্রকাশ ও চূড়ান্ত ভর্তি প্রক্রিয়া

লিখিত পরীক্ষা মূল্যায়নের পর কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির তত্ত্বাবধানে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে প্রথম মেধা তালিকা ও অপেক্ষমাণ তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

  • বিষয় বরাদ্দ (Subject Choice): উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত পোর্টালে লগইন করে বিভাগ বা বিষয়ের পছন্দক্রম (Department Preference List) সাবমিট করতে হয়।

  • ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা: চূড়ান্ত ভর্তির সময় এসএসসি ও এইচএসসির মূল সার্টিফিকেট, ট্রান্সক্রিপ্ট, প্রশংসাপত্র এবং মেডিকেল ফিটনেস রিপোর্ট জমা দিতে হয়।

কুয়েট ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন ১: কুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় কি ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যায়?

উত্তর: হ্যাঁ, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত নির্দিষ্ট মডেলের সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যায়।

প্রশ্ন ২: কুয়েটে কি দ্বিতীয়বার পরীক্ষা (Second Time) দেওয়ার সুযোগ রয়েছে?

উত্তর: না, কুয়েটে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবর্ষে প্রথমবার এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নিয়মিত শিক্ষার্থীরাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান।

প্রশ্ন ৩: পরীক্ষার ফলাফল কোথায় দেখতে পাওয়া যাবে?

উত্তর: ফলাফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট admission.kuet.ac.bd এবং ক্যাম্পাসের নোটিশ বোর্ডে মেধা তালিকার পিডিএফ আপলোড করা হয়।

প্রশ্ন ৪: আর্কিটেকচার বিভাগে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আলাদা কী যোগ্যতা লাগে?

উত্তর: আর্কিটেকচার বিভাগের জন্য গ্রুপ ‘খ’-এর অধীনে ৫০০ নম্বরের মূল লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০০ নম্বরের মুক্তহস্ত অঙ্কন (Freehand Drawing) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ভর্তি হতে ইচ্ছুক সকল স্বপ্নবাজ শিক্ষার্থীর সাফল্য ও মেধার সর্বোচ্চ বিকাশের জন্য আন্তরিক শুভকামনা।

Green Tea
সর্বশেষ