বৃহস্পতিবারের ভোটের আগে পোস্টাল এবং আগাম ভোট নিয়ে শত শত মামলা হয়েছে। ব্যালট পোস্ট করা এবং রিসিভ করার সময়সীমা এবং প্রত্যক্ষদর্শীর স্বাক্ষর থাকার বিষয়গুলো নিয়েই এই মামলা গুলো হয়েছে।
তারা বলছে, “একইসাথে নির্বাচনী প্রচারণায় গভীর রাজনৈতিক মেরুকরণ নীতিগত বিতর্ককে আড়াল করে ফেলেছে এবং পদ্ধতিগত কারচুপির ভিত্তিহীন অভিযোগকে সামনে নিয়ে এসেছে”।
রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত রাজ্যগুলো বলছে যে, জালিয়াতি কমিয়ে আনার জন্য বিধিনিষেধ আরোপের দরকার ছিল। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা বলছে যে, সেগুলো ছিল নাগরিক অধিকার চর্চায় বাধা দেয়ার চেষ্টা।
নির্বাচনের রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বক্তব্যে ভোটকে “আমেরিকান জনগণের ওপর একটি প্রতারণা” বলে উল্লেখ করেছিলেন।
ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা দল এখন পেনসিলভানিয়া, উইসকনসিন, জর্জিয়া এবং মিশিগানে ভোট গণনা বন্ধের দাবি জানিয়েছে- কোন প্রমাণ না থাকলেও তাদের অভিযোগ, এ রাজ্যগুলোতে কারচুপি হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় দীর্ঘসূত্রিতা এবং সৃষ্টি হওয়া অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ।
























