ঢাকা, বুধবার ১২ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ২৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:১৮, ১১ নভেম্বর ২০২০

শাহিন-তুরেসির ভ্যাকসিনে আশার আলো দেখছে বিশ্ব

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের প্রায় এক বছর হতে চললো। এখনো পাওয়া যায়নি এর কোনো প্রতিশেধক। ফলে গোটা বিশ্বব্যাপী ক্রমশ বেড়েই চলেছে নতুন করে আক্রান্ত এবং শনাক্তের সংখ্যা। এমন অবস্থায় আশার আলো দেখাচ্ছে ফাইজারের ভ্যাকসিন। যার নেপথ্যে রয়েছেন উগুর শাহিন এবং ওজলেম তুরেসি।. এই দম্পতিই এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বকে আশার আলো দেখাচ্ছেন।

সোমবার (৯ নভেম্বর) ফাইজার দাবি করেছে তাদের তৈরি টিকা ভাইরাস প্রতিরোধে ৯০ শতাংশ কার্যকরী। যদি সত্যি সত্যি তাই হয় তাহলে হয়তো ফাইজারের টিকার মাধ্যমে মহামারি করোনার কবল থেকে রেহাই পেতে যাচ্ছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ।

জার্মান সংস্থা বায়োনটেকের সঙ্গে টিকা তৈরির কাজ করছে ফাইজার। এই সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা হলেন উগুর এবং ওজলেম। ২০০৮ সালে অস্ট্রিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টোফ হুবেরের সঙ্গে বায়োনটেক সংস্থা তৈরি করেন তারা। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, এই সংস্থা আগে কোনও দিন বাজারে টিকা আনেনি। কিন্তু আজ এই দম্পতির উদ্যোগই কোভিড মুক্তির আশা জাগাচ্ছে।

জন্মসূত্রে উগুর এবং তুরেসি দু’জনেই তুর্কি। শৈশব থেকেই মেডিসিন নিয়ে পড়াশোনার স্বপ্ন দেখতেন উগুর। কোলঙ্গের একটি হাসপাতালে কাজ করার সময় তুরেসির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় তার। দু’জনেরই স্বপ্ন ছিল ক্যান্সার চিকিৎসা নিয়ে গবেষণা করার। ক্যান্সারের চিকিৎসায় ইমিউনোথেরাপি নিয়ে তাদের সংস্থা গবেষণা এখনও চালাচ্ছে।

গোটা বিশ্বে যখন কোভিডের সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে তখন টিকা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে বায়োনটেক। উগুর এবং তুরেসির মতোই কোভিডের টিকা নিয়ে প্রথম থেকেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সারা গিলবার্টও। এ বছরের জানুয়ারি থেকে ২৫০ জন গবেষক নিয়ে কাজ করে চলছেন। ২০১৪-তে যখন ইবোলার সংক্রমণ ছড়িয়ে ছিল, সে সময়ও সেই সংক্রমণ ঠেকাতে গিলবার্টের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

আইনিউজ/এইচএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়