ঢাকা, মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ২৭ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:১৭, ১৭ ডিসেম্বর ২০২০

করোনার উৎস খুঁজতে চীনে যাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিজ্ঞানীরা

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের উৎস খুঁজতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ১০ জন বিজ্ঞানীর একটি দল আগামী মাসে চীনের উহান শহর সফর করবেন। 

বিবিসি জানায়, করোনার উৎস ও সংক্রমণ নিয়ে স্বাধীন তদন্ত পরিচালনার ব্যাপারে বেইজিং কখনোই খুব একটা আগ্রহ প্রকাশ করেনি।

উহানে তদন্ত পরিচালনা করার অনুমতি পেতে ডব্লিউএইচও’র দীর্ঘদিন যাবৎ আলোচনা করতে হয়েছে চীনের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে।

শুরুতেই ধারণা করা হয়েছে, উহানের কোনো মাংসের বাজার থেকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস। কেননা সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী বিক্রি করা হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছে যে, সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি শুরুতে গোপন করেছে চীন। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাগ্‌যুদ্ধও চলে।

তদন্তকারী দলের একজন জীববিজ্ঞানী সংবাদ সংস্থা এপিকে জানান যে, ডব্লিউএইচও কারো ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে এই তদন্ত পরিচালনা করছে না, বরং ভবিষ্যৎ সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে কাজ করছে।

জার্মানির রবার্ট কোক ইনস্টিটিউটের জীববিজ্ঞানী ফ্যাবিয়ান লিনডার্টজ বলেন, ‘কোনো দেশ দোষী, তা খুঁজে বের করার জন্য এই তদন্ত নয়। আসলে কী হয়েছে, তা খুঁজে বের করা এবং সেই তদন্ত থেকে পাওয়া তথ্য নিয়ে আমরা ভবিষ্যৎ ঝুঁকি এড়াতে পারবো কিনা, সেই চেষ্টাই করবো আমরা।’

তিনি জানান, চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের এই সফরে ভাইরাসের সংক্রমণ হওয়ার শুরুটা কীভাবে হয়েছিল এবং এটি উহান শহরেই উদ্ভূত হয়েছিল কিনা, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন তারা।

উহানের সি ফুড মার্কেটটির দিকে বারবার আঙুল উঠলেও বিষয়টি এখনো প্রমাণিত হয়নি। করোনা সংক্রমণে জানুয়ারির শেষ দিকে পুরো শহরে আরোপ করা হয় লকডাউন। কয়েক ঘণ্টার নোটিশে ঘরবন্দী হয়ে পড়ে মানুষ। ৭৬ দিন পর সেটি তুলে নেয়া হয়।

এর এক দেড় মাসের মধ্যে বিশ্বজুড়ে নতুন করোনাভাইরাসটি হানা দেয়। ফেব্রুয়ারিতে এর নাম রাখা হয় কভিড-১৯।

করোনা মোকাবিলায় অনেক দেশে এখনো লকডাউন ও কারফিউ জারি থাকলেও উহান গত এপ্রিলেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে গেছে। শহরটিতে প্রাণ পেলেও অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে সি ফুড মার্কেটটি।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়