ঢাকা, মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ২৭ ১৪৩৩

আইনিউজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:৫২, ২৩ ডিসেম্বর ২০২০

শেষ সময়ে কী করতে চাইছেন ট্রাম্প?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২০ এ নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হয়েছেন জো বাইডেন। ফলে নির্বাচনে হেরে যাওয়া ট্রাম্পের দায়িত্ব ছাড়ার দিন ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু ক্ষমতা ছাড়ার দিন যতো এগিয়ে আসছে ততোই যেন বেপরোয়া হয়ে উঠছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গেলো মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) সাংবিধানিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ১৫ জনকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়েছেন ট্রাম্প। যাদের মধ্যে দুজন সাবেক আইনপ্রণেতা। এই দুজন ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। একজন ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার সাবেক সহকারী।

বিশেষজ্ঞদের মতে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের দীর্ঘ তালিকা থেকে অপরাধ ও দণ্ড থেকে মুক্তি দেওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে সবদিক খোলা রাখছেন তিনি। ভোটের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার জন্য এখনো সক্রিয় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প।

গতকাল এক টুইট বার্তা ও ফেইসবুক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের রিপাবলিকান পার্টির নেতাদের ওপর চড়াও হয়েছেন।

ট্রাম্পের পোস্ট থেকে-

রিপাবলিকান পার্টিকে ভুলে গেলে চলবে না যে তার সাহায্য ছাড়া সিনেটে দলের আটটি আসন কম হতো। মার্কিন সিনেটে এখন পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার কৃতিত্ব তার নিজের বলেই দাবি করছেন ট্রাম্প।

আর কতোদিন ক্ষমতায় আছেন ট্রাম্প?

মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি দুপুর পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় আছেন। ক্ষমতা ছাড়ার পর প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এদিকে ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত ট্রাম্প সংবিধানের ক্ষমতাবলে যেকোনো অপরাধীকে ক্ষমা করতে পারেন, দণ্ড মওকুফ করতে পারেন বা দণ্ড কমিয়ে আনতে পারেন। মার্কিন সংবিধান প্রেসিডেন্টকে এ ক্ষেত্রে অবাধ ক্ষমতা দিয়েছে।

ট্রাম্পের দৃষ্টি এখন ৬ জানুয়ারির দিকে। ইলেক্টোরাল কলেজ থেকে প্রাপ্ত ভোট কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে গ্রহণ করার সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে এদিন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এর আগে এসব সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতায় কখনো বড় ধরনের অঘটন ঘটেনি। এবারের পরিস্থিতি ট্রাম্পের কারণে সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে উঠেছে। যেকারণে ব্যাপক সমালোচিতও হতে হয়েছে ট্রাম্পকে।

এবছর নিজ দলের অনেকেই ভোট দেন নি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়