ঢাকা, শনিবার ২৭ জুন ২০২৬,   আষাঢ় ১৪ ১৪৩৩

আই নিউজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:৪১, ৩১ আগস্ট ২০২৩

ব্যাটিংয়ে নিজেদের দুর্বলতা আবারও প্রদর্শন করলো বাংলাদেশ 

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

এশিয়া কাপ ২০২৩ এর ১৭তম আসরে অনেক স্বপ্ন নিয়েই খেলতে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে দলটি আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসরের প্রথম ম্যাচটি খেলতে নেমেছিলো। কিন্তু আবারও সেই ব্যর্থতার দৃশ্য। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে সাজানো দলটি নিয়ে মাত্র ১৬৪ রান তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে এই রান যেন বাংলাদেশ ব্যাটিং দুর্বলতারই আরেক নিদর্শন। 

বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ৩টায় ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ-শ্রীলংকা। এ ম্যাচে ৪২.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। এতে স্বাগতিকদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১৬৫ রান।

এর আগে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এদিন টাইগারদের জার্সিতে অভিষেক হয় যুব বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার তানজিদ হাসান তামিমের।

বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন মোহাম্মদ নাঈম ও তামিম। তবে নিজের অভিষেক রাঙাতে পারেননি তামিম। দুই বল মোকাবিলা করে রানা খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। তামিমের বিদায়ে ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এই শান্তই শেষ পর্যন্ত দলকে টেনে নিয়ে গেছেন বলা যায়।  নাঈমকে সঙ্গে নিয়ে ২১ রানের জুটি গড়েন তিনি। 

ম্যাচের ৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ধনঞ্জয়া ডি সিলভার বলে নাঈম আউট হলে ক্রিজে আসেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই সাজঘরে ফিরেছেন তিনিও। এরপর ব্যাট করতে নামেন তরুণ তুর্কি তৌহিদ হৃদয়। শুরুও করেছিলেন বেশ ভালো। শান্তর সঙ্গে ধীর, স্থীরভাগে এগিয়ে নিচ্ছিলেন রানের চাকা। 

ম্যাচের ২৪তম ওভারে দাসুন শানাকাকে বাউন্ডারি হাকিয়ে অর্ধ শতক পূর্ণ করেন শান্ত। একই ওভারের শেষ বলে লেগ বিফরের ফাঁদে পড়েন তাওহীদ হৃদয়। লংকানদের জোরালো আবেদনে আউট দেন আম্পায়ার। আউট হওয়ার আগে ৪১ বলে ২০ রান করেন তিনি।

এরপর ক্রিজে আসেন মুশফিকুর রহিম। পরে শান্তর সঙ্গে ৩২ রানের জুটি গড়েন তিনি। কিন্তু পাথিরানার বাউন্সারে আপারকাট খেলতে গিয়ে দিমুথ করুনারত্নের তালুবন্দী হন মুশি। এতে নিজের ১৩ রানে দলকে বিপদে ফেলে সাজঘরে ফেরেন এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।

পরে বাইশ গজে আসেন মেহেদী মিরাজ। তবে দলের হাল ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনিও। ম্যাচের ৩৭তম ওভারে শান্তর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে রান আউট হন মিরাজ (৫)। এরপর যেন আসা যাওয়ার মধ্যে ছিলেন টাইগাররা।

বাংলাদেশের হাল ধরতে উইকেটে আসেন শেখ মাহেদী। কিন্তু তিনিও দুই অংকের ঘর টপকাতে পারেননি। তার বিদায়ের পর সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে ড্রেসিং রুমের দিকে রওনা হন শান্ত (৮৯)। এরপর রানের খাতা খোলার আগেই উইকেট বিলিয়ে দেন মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ। শেষ পর্যন্ত ১৬৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।

এদিন শ্রীলংকার হয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট শিকার করেন মাথিশা পাথিরানা।

আই নিউজ/এইচএ 

Green Tea
সর্বশেষ