Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, শুক্রবার   ০৩ এপ্রিল ২০২৬,   চৈত্র ২০ ১৪৩২

আইনিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:০৬, ২ জুলাই ২০২২
আপডেট: ১৮:০৭, ২ জুলাই ২০২২

সিলেটে কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় একরকম নাকাল সিলেট  ও সুনামগঞ্জবাসী। বিপর্যস্ত হয়ে গেছে সিলেট-সুনামগঞ্জের জনজীবন। টানা ভারী বৃষ্টিপাত আর উজানের ঢলে পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছিলো সুনামগঞ্জের প্রায় সবকটি উপজেলা।  সিলেট মহানগরীর অন্তত ১৬ টি ওয়ার্ড হয়েছিল বন্য কবলিত।

কিন্তু বুধবার ও বৃহস্পিতবার পানি বৃদ্ধির পর  শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে আবার কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। শনিবারও পানি কমা অব্যাহত রয়েছে। ফলে সিলেটের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এমনকি টানা চারদিন পর রোদের দেখা মিলেছে সিলেটে। মেঘমুক্ত নীল স্বচ্ছ আকাশে পাখিদের উড়ে বেড়ানো আর রোদের তাপ মিলিয়ে বানভাসিদের মধ্যে সাময়িকভাবে কিছুটা আনন্দ পরিলক্ষিত হয়।

এদিকে, শনিবার সিলেটের সবগুলো নদীরই পানি কমেছে। পানি কমছে প্লাবিত এলাকাগুলো থেকেও। তবে এখনও নগরের বাইরের বেশিরভাগ এলাকাই জলমগ্ন হয়ে আছে। প্রায় ১৭ দিন ধরে পানিবন্দি থাকা মানুষের দুর্ভোগ সীমা ছাড়িয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার, কানাইঘাট পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার কমেছে। কুশিয়ারা নদীর পানি অমলসীদ পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটির, শেওলায় ৫ সেন্টিমিটার, ফেঞ্চুগঞ্জে ২ সেন্টিমিটার কমেছে। কমেছে, লোভা, সারি এবং ধলাই নদীর পানিও।

অনেকদিন পর রোদ উঠায় বাসা পরিচ্ছন্নতার কাজ করছিলেন নগরের তেররতন এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল আলী। তিনি বলেন, ঘরের ভেতরে প্রায় ৮ দিন পানি ছিলো। ছয়দিন আগে পানি নামলেও বৃষ্টির কারণে ধোয়ামোছা করতে পারিনি। আজ থেকে পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছি। তিনি বলেন, পানি নামার পর এখন ঘরের ভেতরসহ আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুর্গন্ধের কারণে ঘরেও থাকা যাচ্ছে না।

দোকান থেকে পানি নামলেও এখনও সড়ক তলিয়ে আছে জানিয়ে দক্ষিণ সুরমার বঙ্গবীর রোডের ব্যবসায়ী মুকুল আহমদ বলেন, আজ ১৭ দিন হলো পানিবন্দি হয়ে হয়ে আছি। ব্যবসাপাতি সব চুলোয় গেছে। এভাবে আর কতদিন থাকতে হবে কে জানে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, সিটি করপোরেশন ছড়া, খালের ময়লা-আবর্জনা পরিচ্ছন্ন করছে। যেদিকে খবর পাওয়া যাচ্ছে, সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা দল সেদিকে গিয়ে অভিযান চালাচ্ছে। পুরো নগরী ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পরিষ্কার করা হবে বলে জানান তিনি।

সিলেট পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ আহমেদ বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় নদ-নদীর পানি কমছে, তবে অনেকটা ধীরগতিতে। তবে আশা করা যাচ্ছে, আরও কয়েক দিন বৃষ্টি না হলে পানি আরও কমবে। তিনি বলেন, সিলেটে আগামী ১০ দিনের মধ্যে বন্যার আগাম কোনো সতর্কতা নেই।

আইনিউজ/এইচএ

আইনিউজ ইউটিউব চ্যানেলে ‍দেখুন আকর্ষণীয় সব ভিডিও

লাউয়াছড়ায় ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিসীমা

নয় বছরের মেয়েটি কিভাবে নেভায় একের পর এক আগুন?

বাজারে নদীর বিশাল চিতল মাছ

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়