ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১০ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ০১:১০, ৩০ মে ২০২০
আপডেট: ০১:১৫, ৩০ মে ২০২০

কোদালিছড়ায় কচুরিপানায় বাঁধাগ্রস্ত পানিপ্রবাহ

মৌলভীবাজার শহর ও পশ্চিমাঞ্চলের তিনটি ইউনিয়নের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত- এ অঞ্চলের একমাত্র পানি প্রবাহের উৎস কোদালিছড়া।

কিন্তু শহরাংশের সাথে পৌরসভার পশ্চিমাংশের কিলোমিটার এলাকার কোনো মিল নেই শহরাংশে পৌরসভা নিয়মিত পরিস্কার, পরিচ্ছন্নতা খনন কাজ করছে  ফলে শহরবাসী দেখছেন পরিচ্ছন্ন কোদালিছড়া শহরের পশ্চিম প্রান্তে ভিন্ন চিত্র। ভাটিতে মোস্তফাপুর, গিয়াসনগর ও নাজিরাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে কচুরিপানা ঝোপজঙ্গলে ছেয়ে আছে

পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান শুক্রবার (২৯ মে) ওই এলাকা ঘুরে এসে এক হতাশাজনক চিত্রেরই বর্ণণা দিলেন।

তিনি বলেন- আজমেরু, ভুজবল, গ্রাম শ্রীমঙ্গল, অফিসবাজার এলাকায় মাছ ধরতে কোদালিছড়ার অনেক জায়গায় জাল দিয়ে অস্থায়ী বাঁধ দেয়া হয়েছে যেকারণে উজানে কচুরিপানারর স্তুপ জমছে বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে পানিপ্রবাহ টানা বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারেএরইমধ্যে লামা জগন্নাথপুরসহ উজান অংশে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

ফজলুর রহমান জানান- তিনি দিনভর জ্যেষ্ঠ কাউন্সিলর মনবীর রায় মঞ্জু ও আয়াছ আহমদকে সাথে নিয়ে ২০ থেকে ২৫ জন শ্রমিক দিয়ে এসব এলাকার কচুরিপানা পরিস্কার করেছেন।  

পৌরসভার দায়িত্ব পৌর এলাকার রক্ষণাবেক্ষণ। তাহলে কেন শহরের বাইরের অংশে কাজ করবেন। এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র ফজলুর রহমান বলেন- শহরের একমাত্র পানি প্রবাহের উৎস কোদালিছড়া। পশ্চিমে ভাটি অংশে পানি বাধাগ্রস্ত হলে শহরের দিকে এসে তার প্রভাব পড়ে, বাড়ে জলাবদ্ধতা। আমি আমার শহর এলাকায় কোদালিছড়া নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করছি। কিন্তু ভাটি অংশে মোস্তফাপুর ও গিয়াসনগর এলাকায় দেখা যায় বিভিন্ন স্থানে মাছ ধরার জন্য বাঁশ কারেন্ট জাল দিয়ে বাঁধ দিয়ে কচুরিপানা আটকে রাখা হয়েছে কচুরিপানার এরকম বাঁধের সংখ্যা পঞ্চাশের কম হবেনা ফলে উজানে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা একটু বৃষ্টিতে যার প্রভাব পড়বে পৌর শহর সহ বিভিন্ন এলাকায়

স্থানীয় এলাকাবাসী বলেন- কোদালিছড়াকে জলাবদ্ধতামুক্ত রাখতে  জেলা প্রশাসক, উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের সহযোগিতা প্রয়োজন। নিয়মিত কচুরিপানা ও ঝোপ-জঙ্গল পরিস্কার করতে হবে। যেমনটা করেছেন সাবেক জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্টরা। কর্মসৃজন প্রকল্প থেকেও সেটা করেছেন আগের জেলা প্রশাসকগণ।

এ ব্যাপারে মেয়র বলেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে পৌরসভা ২০১৮ সালে কোদালিছড়া আংশিক সংস্কার করেছে। সাবেক জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান এবং তোফায়েল ইসলাম নেহাল এক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতা করেন। শহরের বাইরের বাকি অংশটুকু দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।

সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নিয়মিত কচুরিপানা ও ঝোপ-জঙ্গল পরিস্কার রাখা। আমি পৌর এলাকায় সেটা নিয়মিত করছি। কিন্তু পৌরসভার বাইরের অংশটুকুও নিয়মিত পরিচ্ছন্ন ও সংস্কার করা জরুরি।  
এইচকে/ আই নিউজ

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়