ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১০ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ০০:৪৫, ১১ জুন ২০২০
আপডেট: ১১:৪৪, ৫ জুলাই ২০২০

মৌলভীবাজারে ১০ দিনেও আসেনি করোনার নমুনা রিপোর্ট, অপেক্ষমান ৬৭০

মৌলভীবাজারের জেলায় প্রথম করোনার রোগীর সন্ধান মিলে গত ৪ এপ্রিল । সে থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় করোনার রোগী ১৫২ জন। তবে তারা কে কিভাবে আক্রান্ত হয়েছেন তার হদিস না মিললেও ধারণা করা হচ্ছে লোকাল ট্রান্সমিশনেই তারা সংক্রমিত হয়েছেন। তার ওপর অনেকের নেই উপসর্গ যার কারণে কে করোনা রোগী আর কে সুস্থ তা টেস্ট ছাড়া ধারণা করাও কঠিন। এই অবস্থায় ৬ দিন আটকে আছে জেলার ৬৭০ টি রিপোর্ট। রিপোর্ট না আসায় আক্রান্ত এবং সুস্থ রোগী সনাক্ত করতে পারছেনা জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ।

মৌলভীবভাজার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সুত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার জেলার ৭ উপজেলায় করোনা ভাইরাস পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে ১ শত ৫২ জনের। এর মধ্যে শ্রীমঙ্গলে ৩২ জন, কমলগঞ্জে ২৭ জন, কুলাউড়ায় ২২ জন, জুড়ীতে ১৪ জন, বড়লেখায় ১১ জন, রাজনগরে ২৭ জন, মৌলভীবাজার সদরে ৫ জন এবং মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ৩৪ জন। সদর উপজেলা এবং হাসপাতাল মিলে ৩৯ জন। মৌলভীবাজারেরে রোগীদের করোনা টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয় । কিন্তু গত ৬ দিন ধরে কোন নমুনার রিপোর্ট জানানো হয়নি। অপেক্ষায় আছে ৬৭০ টি নমুনা।

মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. রোকসানা ওয়াহিদ রাহী জানান, সর্বশেষ গত মাসের ৩১ তারিখ আমাদেরকে ঢাকা থেকে রেজাল্ট জানানো হয় এর পর থেকে যত নমুনা পাঠানো হয়েছে তার কোন ফলাফল আসেনি। তিনি জানান মৌলভীবাজার জেলা থেকে গড়ে প্রতিদিন ৮০ টির মত নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা ল্যাবে পাঠানো হয়। কিন্তু চলতি মাসের ১তারিখ থেকে আরও কোন রিপোর্ট আসছেনা .

এ দিকে খুঁজ নিয়ে জানা গেছে, যাদের নমুনা পাঠানো হয়েছে তাদের রেজাল্ট না আসলেও তারা হোম কোয়ারেন্টাইন মানছেন না। যার কারণে তাদের থেকে আক্রান্ত হতে পারেন যে কেউ । নমুনার ফলাফল না আসার উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ এবং রোগীরা। বড়লেখায় সন্দেহভাজন এক করোনারোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন আমি নমুনা দিয়েছি তবে আমার মনে হচ্ছে আমার করোনা নেই। প্রথমে ভয়ে দিলেও এখন নিজেকে সুস্থ মনে হচ্ছে। তাই সবার সাথে মিশতে আমার আপত্তিও নেই।

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়