ঢাকা, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১০ ১৪৩৩

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৮:৫৪, ১৫ জুন ২০২০
আপডেট: ২১:৪৫, ১৫ জুন ২০২০

মৌলভীবাজারের অধিকাংশ এলাকাই পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিন জোনে

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ হচ্ছে দেশ। সংক্রমণের হার বিবেচনায় বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত অঞ্চলকে রেড জোন আখ্যা দেওয়া হচ্ছে।

এ অবস্থায় পর্যটন ও প্রবাসী জেলা মৌলভীবাজার কোন জোনে পড়েছে- এ নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের শেষ নাই।

মৌলভীবাজারের সংক্রমণ হার বিবেচেনা করে দেখা গেছে অধিকাংশ এলাকাই পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিনজোনে। কিছু অংশ পড়েছে রেড জোনে।

রেড জোনে মৌলভীবাজারের যেসব এলাকা

মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে- শ্রীমঙ্গল পৌরসভা এবং সদর ইউনিয়নের কিছু অংশ রেড জোনে পড়েছে। এছাড়া কুলাউড়া পৌরসভা এবং পৌর শহর সংলগ্ন কিছু এলাকা রেড জোনে পড়েছে।

জানা গেছে- শ্রীমঙ্গলের কালিঘাট রোড, শ্যামলী, ক্যাথলিক মিশন রোড, রুপসপুর, সবুজভাগ, মুসলিমবাগ, লালবাগ এবং বিরাইমপুর, কুলাউড়ার মাগুরা-মনসুর, নন্দনগর রেড জোনে পড়েছে। 

জেলার বাকি সব এলাকা ইয়েলো এবং গ্রিনজোনে পড়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ আই নিউজকে বলেন- সংক্রমেণর হার বিশ্লেষণ করে মৌলভীবাজারের প্রত্যেক উপজেলা ও ইউনিয়নের রেড, গ্রিন ও ইয়েলো জোনে ভাগ করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) মন্ত্রণালয়ে সেটা প্রেরণ করা হয়েছে। এটি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করা হবে।

কিভাবে জোন ভাগ হয়

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো এলাকায় ১ লাখের মধ্যে ১০ জন করোনা আক্রান্ত হলে রেড জোন। ৩ থেকে ৯.৯ শতাংশ আক্রান্ত হলে ইয়েলো জোন। আর ০ থেকে ২.৯ শতাংশ আক্রান্ত হলে গ্রিন জোন।

জানা যায়, রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় পুরো লকডাউন করে দেওয়া হবে। এ জোনের কেউ বাইরে যেতে বা বাইরে থেকে কেউ এ জোনের ভেতরে যেতে পারবে না। এ জোনের দোকানপাট, বিপণিবিতান, সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় সব বন্ধ থাকবে। এমনকি এ জোনে ঘরে বসে নামাজ আদায় করতে নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ আই নিউজকে বলেন- সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা জোন ভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। 

মৌলভীবাজার জেলায় মোট আক্রান্ত ১৯১

এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯১ জন, সুস্থ হয়েছে ৬৯ জন, মারা গেছেন ৪ জন। তবে ৬ শতাধিক রিপোর্ট অপেক্ষমান আছে।

সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ বলেন, অন্য জেলার তুলনায় মৌলভীবাজারে আক্রান্তের হার এখনও কম। যে কারণে জেলার অধিকাংশ এলাকা পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিন জোনে।

তিনি বলেন- করোন সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে সচেতন হতেই হবে। এর বিকল্প নাই। আগামী ২ মাস আমাদের জন্য বিপদ হতে পারে। সাবধনতাই পারে এ বিপদ থেকে রক্ষা পেতে। 

এইচকে/ আই নিউজ

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়