নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ২১:২৩, ২ আগস্ট ২০২০
মৌলভীবাজারের পর্যটন কেন্দ্রে হাহাকার
প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে মৌলভীবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকের ঢল নামলেও এবার করোনাভাইরাসের কারণে সব বন্ধ থাকায় পর্যটকশূন্য হয়ে হাহাকার করছে পর্যটন কেন্দ্রগুলো। পরপর দুইটি ঈদে এমন পর্যটক শূণ্য থাকায় পুঁজি টিকিয়ে রাখতে মাথায় হাত সংশ্লিষ্টদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইট-পাথরের বাইরে প্রকৃতির একটু ছোঁয়া পেতে পর্যটকরা ঈদের ছুটিতে ভিড় জমাতেন মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, চা বাগান, কালা পাহাড় ও হামহাম জলপ্রপাতসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে।
ঈদের দিন ও পরের কয়েকদিন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কয়েক হাজার পর্যটকের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠতো। তবে এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করায় এবার রমজানের ঈদে পর্যটক শূন্য মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জসহ আশপাশের উপজেলাগুলো।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিশেষ করে ঈদের সময় প্রতিবছর মৌলভীবাজারে সবচেয়ে বেশি পর্যটক দেখা যায় কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাত, মণিপুরি পাড়ায়। ২০/২৫ দিন আগে থেকে বুকিং থাকে সব রিসোর্ট । জেলার বিভিন্ন চা-বাগান ও বাইক্কাবিল, বড়লেখার মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, কুলাউড়ার কালাপাহাড়, হাকালুকি হাওরসহ শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন পর্যটন স্পটও ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলো পর্যটকদের।
তাছাড়া করোনাভাইরাসের প্রভাবে পর্যটকের সংখ্যা শূণ্য থাকায় হোটেল রিসোর্টগুলোর মালিকরাও পুঁজি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। কেননা এই পর্যটকদের ৯৫ শতাংশই থাকার জন্য বেছে নিতেন মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ- শ্রীমঙ্গলের প্রায় ৭০টি হোটেল রিসোর্টকে।
পর্যটন সেবা সংস্থা শ্রীমঙ্গলের সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক জানান, প্রতি বছর ঈদের সময় কয়েক হাজার পর্যটক আগাম বুকিং দিয়ে রাখেন। কিন্তু এই বছর পর্যটকের সংখ্যা শূণ্য। সেই সাথে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় পুঁজি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। রিসোর্টগুলো বন্ধ থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কর্মচারী রাখতে হচ্ছে। যেহেতু কোনো আয় নেই তাই পুঁজি ভেঙে বেতন দিতে হচ্ছে তাদের।
লাউয়াছড়ার ট্যুর গাইড সাজু মারচিয়াং বলেন, ঈদের ২ মাস আগে থেকেই অনেকে ফোন দেন। কেউ কেউ বিকাশে অগ্রিম দিয়ে রাখেন। সব কাভার দেওয়া যায় না বলে তখন আমরা মৌসুমী মানুষ রাখি। কিন্তু এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো ফোন আসেনি।
অনেক ব্যবসায়ী ব্যংক লোন নিয়ে রিসোর্ট করে বর্তমানে হিমশিম খাচ্ছনে। এস কে ডি আমার বাড়ির রিসোর্টের পরিচালক সজল দেব জানান, আমার ব্যাংক লোন ২ কোটি ২০ লাখ। কোন আয় নেই আজ ৫ মাস উল্টো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য লস আছে । এই অবস্থায় কি করব জানিনা। সম্পূর্ণ অনিশ্চিত অবস্থায় আছি ।
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার























