ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ এপ্রিল ২০২৬,   বৈশাখ ১৪ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:০৯, ২৮ মে ২০২০

টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নামা ঢলে সিলেটে বন্যার শঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

টানা বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ঢলে নদ-নদিতে পানি বেড়ে যাওয়ার ফলে সিলেট অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত দুদিনের টানা বৃষ্টির কারণে সিলেটের সুরমা, কুশিয়ারা, লোভা, সারি ও চেঙ্গের খাল নদীতে পানি বেড়েই চলছে।

এরইমধ্যে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে সারি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানিও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। ইতোমধ্যে সারি-গোয়াইনঘাট সড়কের কিছু কিছু অংশ তলিয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। খবর বাসস'র

বন্যায় জৈন্তা উপজেলার পর্যটন এলাকা জৈন্ত-লালার খাল সড়কের কিছু কিছু স্থানে নদী ভাঙ্গন দেখা দেয়ার ফলে রাস্তাটি কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে সিলেটে শিগগিরই বন্যার আশঙ্কা করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের(পাউবো) কর্মকর্তারা।

পাউবো সিলেট অফিস জানায়, টানা বর্ষণ ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে মঙ্গলবার সকাল থেকে সিলেটের সুরমা, কুশিয়ারা, লোভা ও সারী নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

বুধবার বিকেল পর্যন্ত সিলেটের সবকটি উপজেলায় সকল নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে না গেলেও এর কাছাকাছি অবস্থায় প্রবাহিত হচ্ছে।

সুরমা, সারি ও লোভা নদীর মতো কুশিয়ারা নদীর পানিও গত দু’দিনে বেড়েছে। তবে এখনো কুশিয়ারার পানি সিলেটের তিনটি পয়েন্টে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে সকল পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহম্মদ শহীদুজ্জামান সরকার জানান, অব্যাহত বৃষ্টিপাত ও ভারতের পাহাড়ি এলাকা থেকে নেমে আসা ঢলে সিলেটের সবকটি নদীতে পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি বলেন, জৈন্তাপুরে সারি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় সিলেট অঞ্চলের কয়েকটি উপজেলায় বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজি এমদাদুল ইসলাম মঙ্গলবার ও বুধবার বন্যায় ঝুঁকিপূর্ণ জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট সহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতির কারণে জেলার সকল উপজেলা প্রশাসনকে সতর্ক রাখা হয়েছে। সিলেট জেলা প্রশাসন এ ব্যাপারে সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছে এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

Green Tea
সারাবাংলা বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়