ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ২৯ ১৪৩৩

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:৫৯, ১৪ আগস্ট ২০২০

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন

করোনার ১৬৫টি ভ্যাকসিনের কাজ চলছে

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মহামারি করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় নাস্তানাবুদ বিশ্ব। এ থেকে বাঁচতে নানা ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আর প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই ভ্যাকসিন তৈরির জন্য গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।

সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আদানম গেব্রিয়াসুস জানিয়েছেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ১৬৫টি করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে। এর মধ্যে ছয়টি টিকা তৃতীয় ধাপে পৌঁছেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, রাশিয়ার অনুমোদিত ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি ব্রাজিলে উৎপাদিত হবে। আর আগ্রহী দেশগুলোকে ভ্যাকসিন দিতে প্রস্তুত রয়েছে রাশিয়া।

এদিকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন অনুমোদন দেয়ার পর রাশিয়া আগ্রহী দেশগুলোর সঙ্গে এর উন্নয়ন ও উৎপাদনে সহায়তার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মস্কোর দূত।

বুধবার নিরাপত্তা পরিষদে রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, মহামারির বিরুদ্ধে জয়ী হতে আন্তর্জাতিক সহযোগীদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে মস্কো। গত ১১ আগস্ট বিশ্বের প্রথম ভ্যাকসিন হিসেবে ‘স্পুটনিক-ভি’ অনুমোদনের ঘোষণা দেয় রাশিয়া।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান, রাশিয়ার ভ্যাকসিন এরইমধ্যে তার মেয়ের শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে। তবে রাশিয়ার ঘোষণার পরই ভ্যাকসিনটির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে শুরু করে বিভিন্ন দেশ।

রাশিয়া জানায়, ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় এরইমধ্যে ভ্যাকসিনটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই ভ্যাকসিনটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া দেশে-বিদেশে আরও হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবীর ওপর এটির পরীক্ষা অব্যাহত থাকবে। 

তিনি বলেন, আমরা ভ্যাকসিনটির উন্নয়ন ও উৎপাদনে আগ্রহী সব সহযোগীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য প্রস্তুত। একই সঙ্গে করোনাভাইরাসের বিস্তারের বিরুদ্ধে সমন্বিত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নিশ্চিত করতেও আগ্রহী।

এদিকে সম্প্রতি করোনাভাইরাসের রুশ ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি’র ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং তা তৈরি করতে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ব্রাজিল সরকার।

ব্রাজিলের কর্মকর্তারা জানান, প্রথমে ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হবে। ফলাফলে সফলতা এলে ২০২১ সাল থেকে ব্রাজিলে এটির উৎপাদন শুরু হবে। 

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা পরীক্ষার জনপ্রিয় ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে ব্রাজিল। দেশটিতে বর্তমানে করোনাভাইরাসের দুটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা চলছে। এর মধ্যে একটি উদ্ভাবন করেছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অপরটি চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক।

Green Tea
সর্বশেষ