ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ২৯ ১৪৩৩

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১৯, ২৭ আগস্ট ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে দক্ষিণ চীন সাগরে মিসাইল ছুঁড়লো চীন

দক্ষিণ চীন সাগরের পরিস্থিতি উত্তেজনাকর করে তোলার ব্যাপারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বেইজিং। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন মঙ্গলবার পম্পেওর এক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেন এ ধরনের হস্তক্ষেপমূলক বক্তব্য ও আচরণ বন্ধ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে দক্ষিণ চীন সাগরে দুটি মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছে চীন। এর আগে ওই অঞ্চলে মার্কিন নজরদারি বিমানের আনাগোনা নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল বেইজিং।

দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত জলরাশিতে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে চীন। ফলে ওই অঞ্চলের আকাশে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ‘নো ফ্লাই জোন’ বা বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তারা। চীনের অভিযোগ, মঙ্গলবার ‘নো ফ্লাই’ জোনে প্রবেশ করে একটি মার্কিন নজরদারি বিমান। ২৪ ঘণ্টা পর চীনের সেনাদের গতিবিধি জানতে একই অঞ্চলে আবার টহল দেয় আমেরিকার আরেকটি নজরদারি বিমান। তারপরই, আমেরিকার কাছে কূটনৈতিক স্তরে তীব্র প্রতিবাদ জানায় চীন।

সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, মিসাইল দু’টির একটি হচ্ছে ডিএফ-২৬। এই ব্যালিস্টিক মিসাইল ৪ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম। স্থলে ও জলে আণবিক অস্ত্র নিয়েও হামলা চালাতে পারে এই মিসাইলটি। চিনের ছোঁড়া অন্য ক্ষেপণাস্ত্রটি হচ্ছে, ডিএফ-২১। এটি ১ হাজার ৮০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হামলা চালাতে পারে। বিশেষ করে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরীর বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এটিকে তৈরি করেছে চীন।

গত মাসেই দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক মহড়া চালায় মার্কিন নৌবাহিনী। ফলে বিশ্লেষদের মতে, চাইলে মার্কিন রণতরী ডুবিয়ে দিতে পারে তারা, এই বার্তা দিতেই হাইনান প্রদেশ ও বিতর্কিত পারাসেল দ্বীপপুঞ্জের মাঝামাঝি অঞ্চলে মিসাইল দু’টি ছুঁড়েছে চীন।

আইনিউজ/টিএ

Green Tea
সর্বশেষ