ঢাকা, শনিবার   ১৩ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ২৯ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:৫১, ১৩ মে ২০২১
আপডেট: ২৩:৫২, ১৩ মে ২০২১

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রস্তুতি

সংগৃহীত

সংগৃহীত

গত কিছুদিন ধরে ইসরায়েলের সঙ্গে ফিলিস্তিনে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮৪ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৪৮০ জন।

এদিকে শোনা যাচ্ছে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার সীমান্তে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ইসরায়েল। গাজা সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে, নেওয়া হয়েছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ।

দেশটির সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা সম্মুখ সমরের প্রস্ততি নিচ্ছে। ২০০৮-০৯ ও ২০১৪ সালে ইসরায়েল ও গাজার মধ্যে সামরিক সংঘাত অর্থাৎ যুদ্ধের আগ মুহূর্তেও ইসরায়েলকে এমন প্রস্তুতি নিতে দেখা গিয়েছিল।    

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল জোনাথন কনরিকাস বিবিসিকে জানিয়েছেন, ‘সীমান্ত (গাজা) অভিমুখে অতিরিক্ত আরও সেনা পাঠানো হয়েছে।’ পূর্বপ্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।  

তেল আবিবের ওই সামরিক মুখপাত্র আরও বলেন, রিজার্ভে থাকা অতিরিক্ত ৩ হাজার সেনা সদস্য পাঠানো হয়েছে সেখানে। সীমান্তের সামরিক কর্মকর্তাদের ইসরায়েল সরকার ‘সব রকমের সম্ভাব্য ঘটনা এবং একটি সংঘাতের’ প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

উল্লেখ্য,  গত ১০ মে স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে গাজা উপত্যকায় সিরিজ বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী। হামলার প্রথম দিনে তিন শিশুসহ অন্তত ২০ জন নিহত হয়। দ্বিতীয় দিনে তা বেড়ে ২৮ এবং তৃতীয় দিনে ৬৫ জনে দাঁড়ায়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন অবিলম্বে দুই পক্ষকে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। অপরদিকে রাশিয়া ও মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবিলম্বে গাজায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এদিন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে টেলিফোন করেন। তারা গাজায় ইসরায়েলির রক্তাক্ত হামলা বন্ধে দ্রুত বিশ্ব সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ