আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আপডেট: ০১:১৯, ১৬ মে ২০২১
আল জাজিরা-এপি কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিলো ইসরায়েলি বাহিনী (ভিডিও)
গাজা উপত্যকায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। বেসামরিক ও আবাসিক স্থাপনার পর এবার মিডিয়া হাউসগুলোর কার্যালয় ভবনেও আক্রমণ চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
শনিবার (১৫ মে) গাজায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত একটি ভবন গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। যাতে কাতারভিত্তিক আল জাজিরা ও বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) সহ বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের কার্যালয় ছিল।
শনিবার সন্ধ্যায় আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়ে গাজার ১১তলা বিশিষ্ট আল-জালা ভবন গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ভবনটিতে সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়ের পাশাপাশি ছিল কিছু আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টও।
আল জাজিরার লাইভ ভিডিওতে দেখা যায়, ইসরায়েলি বিমান থেকে নিক্ষিপ্ত বোমায় মুহূর্তেই ভবনটি ধসে পড়ে। তখন ধ্বংসস্তূপ থেকে কালো ধোঁয়া উড়ছিল।
গাজা থেকে নিয়মিত রিপোর্ট করতে থাকা আল জাজিরার সাংবাদিক হ্যারি ফাওসেট আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এটা আমাদের সবার জন্যই ভীষণ ব্যক্তিগত মুহূর্ত। এখানে যা যেভাবে ঘটেছে, তা আমরা কখনো ভাবতেও পারি না।’
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আল জাজিরার সাংবাদিক সাওফাত আল-কাহলৌত বলেন, ভবনটির এক বাসিন্দা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি সতর্ক বার্তা পান। হামলার আধঘণ্টা আগে ওই সতর্কবার্তা পাওয়ার পর অনেকেই ভবনটি থেকে বের হয়ে যান। ওই সময়ে ভবনটিতে থাকা আল কাহলুত জানান তিনি ও তার সহকর্মীরা মিলে যতটুক পারা যায় তত সরঞ্জাম নিয়ে বাইরে বের হয়ে আসেন।
অন্তত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ভবনটিতে আঘাত হানে জানিয়ে আল কাহলুত বলেন তিনি গত ১১ বছর ধরে ওই ভবনে কাজ করেছেন। প্রায়ই তিনি এর ছাদ থেকে লাইভ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি বহু ঘটনা এই ভবন থেকে কাভার করেছি। সহকর্মীদের সঙ্গে আমার সেখানে বহু ভালো স্মৃতি রয়েছে।’
তবে এমন বিপর্যয়কর ঘটনা সত্ত্বেও সংবাদ পরিবেশনে আল জাজিরার সাংবাদিকরা থামেননি জানিয়ে তিনি বলেন, এতো মন খারাপ সত্ত্বেও আমাদের কোনো সহকর্মী এক সেকেন্ডের জন্যও থামেননি—বরং খবর পরিবেশনের বিকল্প উপায় খুঁজে নিয়েছেন তারা।’
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলছে, ষষ্ঠ দিনের মতো গাজা উপত্যকায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী। তারা শনিবার সকালে গাজার একটি শরণার্থী শিবিরেও বোমা হামলা করেছে। এতে অন্তত ১০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের ৮ জনই শিশু। আর গত ১০ মে থেকে শনিবার পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় মোট ১৪০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৩৯ জনই শিশু। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৯৫০ জন।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজার অনেক ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শনিবার সকালেও উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এসব ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আরও মরদেহ পড়ে আছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার জবাবে গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও রকেট ছোড়া অব্যাহত রেখেছে। শনিবার ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলীয় শহর রামাত গান, দক্ষিণাঞ্চলের আশকেলন ও আশদোদ শহরের দিকে রকেট হামলা চালিয়েছে হামাস। এতে এক ইসরায়েলির মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত হামাসের রকেট হামলায় নয় ইসরায়েলির মৃত্যু হয়েছে।
ভিডিও
আইনিউজ/এসডিপি
- আইয়ুব খানের পদত্যাগের দিন আজ
- টাই পরা বাদ দিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করতে চান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
- যুদ্ধবন্দী কারাগারে বোমা হামলা, পরস্পরকে দোষছে রাশিয়া-ইউক্রেন
- আবারও মক্কায় কালো পাথর স্পর্শ-চুম্বনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা
- মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে পুরুষদের সেক্স পার্টনার কমানোর পরামর্শ
- ভারতের স্বাধীনতা দিবস শনিবার
- গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে হা*মলা, নি হ ত ৯ হাজার ছাড়িয়েছে
- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা মারা গেছেন
- মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় ৪২ সেনার মৃত্যু
- ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য হিও গ্রাঞ্জে দো সুলে বনায় ৫৬ জন নি হ ত
























