আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আপডেট: ১৯:৪৫, ১৭ মে ২০২১
পশ্চিমবঙ্গের দুই মন্ত্রী ও সাবেক মেয়রকে গ্রেফতার করল সিবিআই
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নারদ ঘুষ কেলেঙ্কারি মামলায় রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়, তৃণমূলের বিধায়ক মদন মিত্র এবং কলকাতার সাবেক মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত বাহিনী (সিবিআই)।
সোমবার সকালে প্রথমে ফিরহাদ হাকিম ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে অভিযান চালায় সিবিআই। পরে মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান শেষে সবাইকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কলকাতার নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়।
সিবিআইয়ের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, নারদা কেলেঙ্কারিতে সোমবারই প্রথম অভিযোগপত্র জমা দেবে সংস্থাটি। তার আগে রাজ্যপালের অনুমতি নিয়ে সকালে এ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানা গেছে, ফিরহাদ হাকিমের গ্রেফতারের সময় তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক উত্তেজনা দেখা যায়। এক পর্যায়ে রাস্তায় শুয়ে পড়ে তৃণমূল কর্মীরা সিবিআইয়ের গাড়ি আটকে দেয়। পরে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম নিজেই গাড়ি থেকে নেমে কর্মীদের রাস্তা ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেন।
ফিরহাদ বলেন, আমাকে বিনা নোটিশে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা আদালতে এর মোকাবিলা করব।
তৃণমূল মন্ত্রীদের গ্রেফতারের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার সাবেক মেয়র ও পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বাসায় যায়। সেখান থেকে পরে চলে যান সিবিআইয়ের অফিস নিজাম প্যালেসে।
নিজাম প্যালেসে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ফিরহাদ হাকিমদের গ্রেফতার বেআইনি।
যতক্ষণ পর্যন্ত গ্রেফতার চার নেতাকে ছেড়ে দেয়া না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত নিজাম প্যালেস ছাড়বেন না বলেও ঘোষণা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
২০১৪ সালে নারদা নিউজের মাথা ম্যাথু স্যামুয়েল স্টিং অপারেশন করেন। ম্যাথুর পরিকল্পনা অনুযায়ী ইমপেক্স কনসালট্যান্সি নামে একটি কাল্পনিক সংস্থার হয়ে নারদা নিউজের লোকজন তৃণমূলের নেতা-নেত্রীদের কাছে পৌঁছান।
নারদা নিউজের দাবি, ওই কাল্পনিক সংস্থা রাজ্যে ব্যবসা চালানোর জন্য ৭২ লাখ টাকা ঘুষ দেয় তৃণমূলের নেতা-নেত্রীদের।
মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, সুলতান আহমেদ, সৌগত রায়, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়, পুলিশ কর্মকর্তা এমএইচ আহমেদের নাম জড়িয়ে যায় নারদা কাণ্ডে। এদের প্রত্যেককে ভিডিওতে টাকা নিতে দেখা যায়।
সোমবার তৃণমূলের বর্তমান ও সাবেক চার মন্ত্রীকে গ্রেফতার করে সিবিআই নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে গ্রেফতারি কাগজে সই করানো হয় তাদের।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করে বলা হয়েছে, নারদা কাণ্ডে মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারীর নাম থাকা সত্ত্বেও তারা গ্রেফতার হয়নি। বিজেপিতে যোগ দেয়াতেই তাদের ছাড় দেয়া হয়েছে কিনা, সে প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের।
সিবিআইয়ের সূত্র বলছে, দুপুর ২টার মধ্যে গ্রেফতারকৃতদের ব্যাংকশাল আদালতে তোলা হবে। জানা গেছে, এরইমধ্যে গ্রেফতার নেতাদের আইনজীবীরা সিবিআই কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
তৃণমূল নেতা সৌগত রায় বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে সিবিআই প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে। আমি এর নিন্দা করছি।
রাজ্যপাল কীভাবে সিবিআইকে অনুমোদন দিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘আদালতে এর মোকাবিলা হবে।’
বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিধানসভার স্পিকারকে এড়িয়ে কেন সিবিআই রাজ্যপালের অনুমতি নিতে গেল? এটা আইনবিরুদ্ধ।’
আইনিউজ/এসডিপি
- আইয়ুব খানের পদত্যাগের দিন আজ
- টাই পরা বাদ দিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করতে চান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
- যুদ্ধবন্দী কারাগারে বোমা হামলা, পরস্পরকে দোষছে রাশিয়া-ইউক্রেন
- আবারও মক্কায় কালো পাথর স্পর্শ-চুম্বনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা
- মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে পুরুষদের সেক্স পার্টনার কমানোর পরামর্শ
- ভারতের স্বাধীনতা দিবস শনিবার
- গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে হা*মলা, নি হ ত ৯ হাজার ছাড়িয়েছে
- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা মারা গেছেন
- মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় ৪২ সেনার মৃত্যু
- ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য হিও গ্রাঞ্জে দো সুলে বনায় ৫৬ জন নি হ ত
























