আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আপডেট: ১৭:২২, ১৯ মে ২০২১
ফিলিস্তিনিদের জন্য মানবিক সহায়তার আহ্বান জাতিসংঘের
ফিলিস্তিনিদের জন্য মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের প্রধান অ্যান্তনিও গুতেরেস। ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত তহবিল নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান তিনি।
এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক দুর্দশা এবং ঘর-বাড়ি ও অত্যাবশ্যক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে দেখছি আমরা। এর আগে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক প্রধান মার্ক লোকক গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানান।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের গাজার অবস্থা এখন করুণ। সেখানে বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় অসংখ্য মানুষ জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। এমতাবস্থায় তাদের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা পাঠাচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা ও দেশ। সে জন্য সীমান্তও খুলে দেয় ইসরায়েল। কিন্তু হামাসের রকেট হামলার কারণে সীমান্ত আবার বন্ধ করে দিয়েছে তারা। ফলে অঞ্চলটিতে ত্রাণবাহী ট্রাক আর ঢুকতে পারছে না।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ইসরায়েল ত্রাণ নেয়ার জন্য সাময়িকভাবে কারেম আবু সালেম সীমান্ত খোলার ঘোষণা দিলে সেখান দিয়ে ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকতে শুরু করে। তখন এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় জাতিসংঘ। একইসঙ্গে ইসরায়েলকে প্রধান ইরেজ ক্রসিংটিও খোলার আহ্বান জানানো হয়। যেন মানবাধিকার কর্মী এবং সরবরাহগুলো প্রবেশ করতে পারে।
তবে কিছুক্ষণ পরেই ফিলিস্তিনি বাহিনীর মর্টার হামলায় থাইল্যান্ডের দুই নাগরিক নিহত এবং এক ইসরায়েলি সেনা সামান্য আহত হয় বলে জানায় ইসরায়েলি পুলিশ। এরপরই তারা আবারো সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা দেয়।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দখলদারিত্বকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সংঘাত নবম দিনে গড়িয়েছে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর বর্বর গোলাবর্ষণ ও রকেট হামলায় এ পর্যন্ত প্রাণ গেছে ২২০ জন ফিলিস্তিনির। নিহতদের মধ্যে শিশু আছে ৬৩ জন। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দেড় হাজার।
ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর রকেট হামলায় অসংখ্য নিহতের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজার হাসপাতালগুলো। যার কারণে সেখানে বন্ধ হয়ে গেছে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ টেস্ট। এতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ডক্টর আশরাফ আল-কিদরার বরাতে আল জাজিরার সাংবাদিক সামি আবু সেলিম বলেন, শুধুমাত্র একটি ল্যাবে কোভিড টেস্টগুলো করা হতো। ইসরায়েলি হামলার কারণে যা বন্ধ হয়ে আছে।
তিনি আরো বলেন, যদি এই পরিস্থিতি চলতে থাকে তাহলে বোমা ও রকেট হামলা থেকেও বিপজ্জনক কিছু অপেক্ষা করছে ফিলিস্তিনিদের জন্য। করোনাভাইরাসের সংক্রমণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ইতিমধ্যে গাজায় ওষুধের সংকটও দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ প্রকট হচ্ছে। যাদের জরুরি ওষুধ প্রয়োজন তারা ভীষণ বিপদে পড়েছেন। সেইসঙ্গে ঝুঁকিতে পড়বেন করোনা আক্রান্তরা।
আইনিউজ/এসডিপি
- আইয়ুব খানের পদত্যাগের দিন আজ
- টাই পরা বাদ দিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করতে চান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
- যুদ্ধবন্দী কারাগারে বোমা হামলা, পরস্পরকে দোষছে রাশিয়া-ইউক্রেন
- আবারও মক্কায় কালো পাথর স্পর্শ-চুম্বনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা
- মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে পুরুষদের সেক্স পার্টনার কমানোর পরামর্শ
- ভারতের স্বাধীনতা দিবস শনিবার
- গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে হা*মলা, নি হ ত ৯ হাজার ছাড়িয়েছে
- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা মারা গেছেন
- মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় ৪২ সেনার মৃত্যু
- ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য হিও গ্রাঞ্জে দো সুলে বনায় ৫৬ জন নি হ ত
























