ঢাকা, শুক্রবার   ১২ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ২৯ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:৫৯, ২১ মে ২০২১
আপডেট: ১৭:০০, ২১ মে ২০২১

ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিরতি, যা বললেন বাইডেন

জো বাইডেন

জো বাইডেন

টানা ১১ দিন সংঘাতের পর অবশেষে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাস।

মার্কিন কংগ্রেসসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের চাপে পড়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন বলে মনে করেছেন বিশ্ব রাজনীতি বিশ্লেষকরা।

যুদ্ধবিরতিকে নিদের বিজয় বলে আখ্যা দিয়েছে হামাস। যে কারণে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকরের পরপরই গাজা, পূর্ব জেরুজালেমসহ ফিলিস্তিনের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে বিজয়োল্লাস শুরু করেছেন তারা।  বিজয়োল্লাসের ভি-সাইন দেখাচ্ছেন। এক প্রতিক্রিয়ায় হামাস নেতা বলেছেন ‘আজ আমাদের ঈদ’।

এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার প্রধানরা। 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আমরা জাতিসংঘসহ অন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে গাজার জনগণের জন্য দ্রুত মানবিক সহায়তা প্রদান এবং গাজা পুনর্নির্মাণ চেষ্টায় আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি বিশ্বাস করি, ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার সঙ্গে বেঁচে থাকা এবং স্বাধীনতা, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র উপভোগের সমান অধিকার রয়েছে। আমার প্রশাসন এ বিষয়ে নিরলস কাজ করে যাবে।

গত ৭ মে পবিত্র মাহে রমজানের শেষ শুক্রবার বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি মুসল্লি আল-আকসা মসজিদে সমবেত হলে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের ওপর হামলা চালায়। মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বর্বর ইসরায়েলিরা। এর দুদিন পরে পবিত্র শবে কদরেও আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে মুসল্লিদের সংঘর্ষ হয়।

এর প্রতিবাদে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে গত ১০ মে থেকে অবরুদ্ধ উপত্যকা অঞ্চলটিতে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি যোদ্ধারাও রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তীব্র প্রতিরোধের মুখে অবশেষে যুদ্ধবিরতি মানতে বাধ্য হয় দখলদার ইসরায়েল সরকার।

১১ দিনের এই সহিংসতায় ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিনে অন্তত ২৩২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে ৬৫ শিশুও রয়েছে। আর ফিলিস্তিনিদের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে মারা গেছেন ১২ জন।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ