আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আপডেট: ১৮:১৬, ২২ মে ২০২১
করোনা রোগীদের আতঙ্ক ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’, ভারতে ৯০ জনের মৃত্যু
ভারতের করোনা রোগীদের জন্য আতঙ্ক ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিস। মে মাসের শুরুর দিকেই দেশটির চিকিৎসকরা মিউকরমাইকোসিসের ব্যাপারে সতর্ক করা শুরু করেন।
ভারতে এখন পর্যন্ত যারা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে দেখা গেছে অধিকাংশই হয় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বা কিছুদিন আগেই হয়তো করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে। এরইমধ্যে মহারাষ্ট্রে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হয় ‘মিউকরমাইকোসিস’। এটি একটি বিরল ফাঙ্গাল সংক্রমণ। মূলত দুর্বল শরীরেই বাসা বাঁধে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। করোনা রোগীর শরীরে যখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তখনই এর সংক্রমণ ঘটে। এই ছত্রাক শরীরে বাসা বাধলে ৫৪ শতাংশ রোগীর মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রয়েছে, কিংবা জটিল রোগে আক্রান্ত, নিয়মিত স্টেরয়েড নেন, বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তারাই এতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। ত্বক বা নাক থেকে সমস্যা শুরু হলেও প্রভাব পড়ে ফুসফুস ও মস্তিস্কে।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এরইমধ্যে ‘মহামারি’ ঘোষণা করেছে ভারত সরকার।
ভারতর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইমিউনিটি সিস্টেম দূর্বল এমন লোকজনকেই এই রোগ বেশি কাবু করতে সক্ষম বিশেষ করে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী, ডায়াবেটিস রোগী এবং যারা স্টেরয়েড গ্রহণ করছেন এমন লোকজন।
তবে এটাও বলা হচ্ছে যে, কেউ করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই সে মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত হবেই এমনটা নয়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় সাধারণ অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই রোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ‘অ্যাম্ফোটিরিসিন-বি’ নামের একটি ওষুধ।
ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেও সম্প্রতি এই রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় রোগীদের ‘অ্যাম্ফোটিরিসিন-বি’ ওষুধ দেয়া হচ্ছে। এই ওষুধ গ্রহণ করার পর রোগীর সুস্থ হয়ে উঠতে প্রায় ছয় সপ্তাহের মতো সময় লাগে। যত দ্রুত রোগীর দেহে এই ছত্রাকের উপস্থিতি শনাক্ত করা এবং চিকিৎসা শুরু করা যাবে তত দ্রুত সে সুস্থ হয়ে উঠবে।
ভারতের মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, তেলেঙ্গানা এবং গুজরাট এই পাঁচ রাজ্যে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার দুইশোর বেশি মানুষের দেহে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। ওই এক রাজ্যেই দুই হাজারের বেশি কেস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮০০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুজরাটে ৩৬৯ জনের দেহে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমাদের এখন নতুন চ্যালেঞ্জ ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। আমাদের এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে এবং প্রস্তুতি নিতে হবে।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সম্পর্কে আরও জানতে পড়ুন: করোনা পরবর্তী ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ইনফেকশন’, লক্ষণ ও করণীয়
আইনিউজ/এসডিপি
- আইয়ুব খানের পদত্যাগের দিন আজ
- টাই পরা বাদ দিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করতে চান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
- যুদ্ধবন্দী কারাগারে বোমা হামলা, পরস্পরকে দোষছে রাশিয়া-ইউক্রেন
- আবারও মক্কায় কালো পাথর স্পর্শ-চুম্বনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা
- মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে পুরুষদের সেক্স পার্টনার কমানোর পরামর্শ
- ভারতের স্বাধীনতা দিবস শনিবার
- গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে হা*মলা, নি হ ত ৯ হাজার ছাড়িয়েছে
- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা মারা গেছেন
- মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় ৪২ সেনার মৃত্যু
- ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য হিও গ্রাঞ্জে দো সুলে বনায় ৫৬ জন নি হ ত
























