ঢাকা, শনিবার ০৪ জুলাই ২০২৬,   আষাঢ় ২০ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:৪৮, ১১ জুন ২০২২

পারাবত ট্রেনে ছিলো না আগুন নেভানোর সরঞ্জাম

ঢাকা থেকে সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন লাগার পর রেলকর্মীরা তড়িঘড়ি করে নেমে পড়েন। রেলে ছিল না আগুন নেভানোর কোনো ব্যবস্থা। যাত্রীদের উদ্ধারে প্রথমে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। শনিবার (১১ জুন) বিকেলে এসব কথা বলেন স্থানীয় পতনউষা ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সিরাজ খান।

তিনি বলেন, ‘আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। ভয়ে লাফ দিতে গিয়ে চার-পাঁচজন আহত হন। কিন্তু আগুন লাগার পর রেলের কেউ এগিয়ে আসেননি। রেলে ছিল না আগুন নেভানোর কোনো যন্ত্র।’

একই অভিযোগ করেছেন ট্রেনের যাত্রীরা। সুমন মিয়া নামে একজন বলেন, ‘ট্রেনে অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা ছিল না। শ্রীমঙ্গল থেকেই পাওয়ার কারে সমস্যা হচ্ছিল। আগুন ধরার পর যাত্রীদের নেমে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। আশপাশের এলাকাবাসী বালতি করে পানি এনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।’

তবে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ওই ট্রেনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল। শুরুতে ফায়ার এক্সটিংগুইসার দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছিল ওরা (রেলের লোকজন), কিন্তু আগুন নেভেনি।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তারা প্রথমে যাত্রীদের কাছ থেকে আগুন লাগার খবর পান। ঘটনাস্থলে ছুটে যান জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানসহ আরও অনেকে।

মৌলভীবাজার ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ হারুন পাশা বলেন, ‘যাত্রীরা আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯-এ কল করেন। কমলগঞ্জসহ ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেনের পাওয়ার কার বগিতে জেনারেটর থেকে আগুনের সূত্রপাত।’

পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের বগিতে আগুন লাগার ঘটনায় ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ঘটন করা হয়েছে।  শনিবার দুপুর ২ টা ২০ মিনিটের দিকে কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও শ্রীমঙ্গলের ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এর আগে দুপুর ১ টার দিকে পাওয়ার সার্ভিসের বগি থেকে ট্রেনে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকে সারাদেশের সঙ্গে সিলেটের ট্রেন যোগযোগ বন্ধ ছিলো। তবে বর্তমানে তা স্বাভাবিক রয়েছে। 

সূত্রঃ সিলেট টুডে

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়