ঢাকা, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৮ ১৪৩৩

মুজিবুর রহমান রঞ্জু

প্রকাশিত: ১৬:২৬, ২৮ অক্টোবর ২০২০

কমলগঞ্জে হাতি দিয়ে দোকানে দোকানে চাঁদাবাজি

হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি

হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি

বিশালদেহী বন্যপ্রাণী হাতিকে বনেই বেশি সুন্দর লাগে। সেটাই তাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল। হাতিকে দিয়ে আবার বন থেকে গাছেল খণ্ডাংশ টেনে সমতলে নিয়ে আসা হয়। আবার সার্কাস দলেও হাতি ব্যবহার করা হয়।

সম্প্রতি আমাদের দেশের এক শ্রেণির মানুষ এই বিশালদেহী হাতিকে চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহার করছেন।  মাহুত (হাতির পরিচালক) নামধারী চাঁদাবাজরা প্রকাশ্য দিবালোকে দোকানে দোকানে, ফুটপাত, রাস্তায়
গাড়ি থামিয়ে জোর করে টাকা আদায় করছে এই হাতিকে দিয়ে। এমনকি গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে গিয়েও টাকা আদায় করতে বাকি রাখে না তারা।

বুধবার (২৮অক্টোবর) সকাল ১১টায় মৌলভীবাজরের কমলগঞ্জের মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা বাজারে হাতি দিয়ে দোকানে দোকানে গিয়ে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই হাতি নিয়ে টাকা উত্তোলন করতে দেখা যায়।

পাত্রখোলায় দোকানে দোকানে গিয়ে হাতির শুঁড় উচু করে দোকানদারদের কাছ থেকে এক প্রকার জোরপূর্বক টাকা নিতে দেখা গেছে।

হাতির পিঠে থাকা মাহুত জানালেন, হাতিটির মালিক উপজেলার ইসলামপুরের। আর মাহুত নিজে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে টাকা তুলে আয়-রোজগার করেন।

স্থানীয় দোকান মালিকরা জানান, ‘হাতি শুড় উচিয়ে দিলে তখন ৫ টাকা দিলে নিচ্ছে না। কমপক্ষে ১০ টাকা দিতে হচ্ছে। অনেকে নিজের ইচ্ছায় টাকা দিচ্ছে আবার কেউ টাকা দিতে না চাইলে হাতিটি শুঁড় উচু করে  বৃহৎ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি দেখিয়ে ভয় দেখাচ্ছে।

হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করে মোটা টাকা হাতিয়ে নেয়া বন্ধ করতে দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আইনিউজ/মুজিবুর রহমান রঞ্জু 

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়