শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি
‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার’
খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। প্রশাসনের কর্মকর্তাগন জনগণের দোরগোড়ায় গিয়ে সেবা পৌঁছে দিচ্ছে । তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী শুধু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী,সংখ্যালঘু, আদিবাসীদের জন্য নয়। তিনি দেশের প্রত্যেকটি জনগণকে ভালোবাসেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমি আপনাদের এই প্রান্তিক এলাকায় পৌঁছেছি। তিনি জনগণের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। করোনাকালীন সময়েও সরকার জনগণের জন্য সেবা দিয়ে আসছেন।
রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের বড়লেখার সাত নং খাসিয়া পুঞ্জিতে আন্তর্জাতিক শিশু উন্নয়ন সংস্থা কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের আয়োজনে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এ কথা গুলো বলেছেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।
এ সময় জেলা প্রশাসক শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা হচ্ছো দেশের ভবিষ্যত, একদিন তোমরাই দেশে নেতৃত্ব দিবে। তোমরা চেয়ারম্যান, ইউএনও হবে। সেজন্য তোমাদেরকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। আর তখনই তোমাদেরকে যারা সাহায্য সহযোগিতা ও সাপোর্ট দিয়েছেন তাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।
তিনি বলেন, মহামারী করোনাকালীন সময়ে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও সংস্থা বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। এই মহৎ উদ্যোগের জন্য তিনি কম্প্যাশনের সকল কর্মকর্তাবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। এ সময় প্রকল্পের শিশুরা দেশাত্মবোধক নৃত্য, ঐতিহ্যবাহী খাসি নৃত্য পরিবেশন করে। প্রকল্প ব্যবস্থাপক টারজেন পাপাং এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের চেয়ারম্যান প্রভীনসন সুছিয়াং।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আল ইমরান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন আহমেদ, বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের কো-চেয়ারপার্সন জিডিসন প্রধান সুছিয়াং, খাসি সোস্যাল কাউন্সিলের সহ সভাপতি ফিলা পতমী, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, লুমডনবক মিশনের পরিচালক মিসেস লাভলী সুছিয়াং, সিনিয়র পালক রেভা: পাইরিন সুটিং, প্রমূখ।
বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেটের মধ্যে ছিল ১৪ কেজি চাল, ৪ কেজি আলু ১.৫ কেজি ডাল, ৫০০ গ্রাম সয়াবিন তেল, ২ টি করে মাস্ক , ২ টি করে সাবান ও ১ টি করে ব্যাগ।
সংস্থা সূত্রে জানা যায়, কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ শিশুদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে থাকে। যার ফলে শিশু ও তাদের পরিবার চরম দরিদ্র, নিরক্ষরতা, অপুষ্টি এবং বঞ্চনার সাথে লড়াই করেছেন তাদের সহায়তা করে থাকে।
এই সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য হল-দারিদ্রতা থেকে শিশুদের মুক্তি নিশ্চিত করা, যা শিশুদের সামাজিক, নৈতিক, শারীরিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মাধ্যমে টেকসই সামগ্রিক উন্নয়ন সাধনে এবং মানবিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে করা সম্ভব। কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল ২০০৪ সাল থেকে পার্টনারশিপের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে এই সংস্থাটিতে সারাদেশে প্রায় ৩৮,৩৩২ জন নিবন্ধিত শিশু রয়েছে এবং বাংলাদেশে ৩৮টি জেলায় ১৭৪ টি প্রকল্প রয়েছে।
আইনিউজ/এস.এম/এসডিপি
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার
























