কুলাউড়া প্রতিনিধি
আপডেট: ০০:২৩, ৯ নভেম্বর ২০২০
কুলাউড়ায় রেলের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ঘণ্টা যেতেই আবারও দখল!
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় রেলওয়েস্টেশন ও আশপাশের ভূমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ঘণ্টা যেতে না যেতেই আবার দখলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন দখলবাজরা। বাঁশের খুটি দিয়ে সীমানা আলাদা করে দখলের পাঁয়তারা অব্যাহত রয়েছে। রোববার বেলা ১১ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় ভূসম্পদ কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম।
অভিযানে অংশ নেন রেলওয়ের বানিজ্যিক কর্মকর্তা শওকত জামিল মহসিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, রেলওয়ের ফিল্ড কানুনগো ইকবাল মাহমুদ ও আমিন মমরাজুল ইসলাম, কুলাউড়া থানা পুলিশ, রেলওয়ে জিআরপি ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, কুলাউড়া রেলওয়ের আড়াই একর ভূমি অবৈধ দখলে রয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে স্টেশনে ও রেলওয়ে কলোনীতে আড়াই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠে। এছাড়া অনুমোদনহীন ও লীজ বাতিল হয়ে যাওয়া ভূমিতে অবৈধভাবে রেলওয়ে জামে মসজিদের দ্বীতল মার্কেট, পার্শ্ববর্তী এলাকায় একতলা মার্কেটসহ অবৈধ দোকানপাট স্থাপন করে রেলের ভূমী জবরদখল করে রাখা হয়েছিলো। রেল কলোনীর প্রায় দেড়শতাধিক পরিত্যাক্ত কোয়ার্টারে একটি সিন্ডিকেট চক্র অবৈধভাবে ভাড়া দিয়ে এসব ঘরে অনেক অপকর্ম পরিচালিত হতো। এসব অবৈধ দখল ও স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য গত ৬ মাস আগে রেলওয়ের বিভাগীয় ভূসম্পদ কার্যালয় থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিলো। রোববার বেলা ১১টা থেকে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় অর্ধশতাধিক স্থাপনা ও পরিত্যাক্ত কোয়ার্টারে অবৈধ বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করা হয়।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রেলওয়ে মসজিদের পশ্চিম পাশের ভূমি ও উত্তর রেল কলোনীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে অভিযানকারী দল সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর উচ্ছেদকৃত ভূমি এবং স্থাপনা আবারো ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে দখলের জন্য বাঁশের খুটি ও বেড়া দিয়ে দখল করে রেখেছেন স্থানীয় বাসিন্দা শফিউল আলম শফি নামে এক ব্যক্তি। তিনি তাঁর লোকজন নিয়ে বাঁশের খুটি ও বেড়া দিয়ে দখলমুক্ত স্থাপনাগুলো আবারও দখলে নিয়েছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে শফিউল আলম শফির সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রেলওয়ে মসজিদকে কেন্দ্র করে একটি সিন্ডিকেট কাজ করে আসছিলো নিজেদের ফায়দা লুটের জন্য। আমি মসজিদের জায়গা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কাজ করছি মাত্র। রেলের আইন অনুযায়ী পরবর্তীতে বিষয়টি দেখা যাবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় ভূসম্পদ কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দিনব্যাপী অভিযানে দুটি স্কেবেটর ও ৫০জন শ্রমিক নিয়ে রেলের অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও দখলকৃত ভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উচ্ছেদকৃত স্থাপনা ও দখলমুক্ত ভূমি রক্ষণাবেক্ষণের কোনো পরিকল্পনা আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, দখল হলে আবার উচ্ছেদ করা হবে।
আইনিউজ/সুমন/এজেএল
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার
























