মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
আপডেট: ১৫:৪২, ৭ ডিসেম্বর ২০২০
তিন বছরেও শুরু হয়নি শাবাব-মাহি হত্যার বিচার, হতাশ পরিবার
ফাইল ছবি
মৌলভীবাজারের চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের বিচার দীর্ঘ তিন বছরেও শুরু হয়নি। এ নিয়ে নিহতদের পরিবারের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিআইবি দীর্ঘ দুই বছরেও আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারেনি।
২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর গ্রুপিং দ্বন্দ্বে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হত্যা করা হয় ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ আলী শাবাব ও তার কর্মী নাহিদ আহমদ মাহিকে। এ ঘটনায় নিহত শাবাবের মা সেলিনা রহমান চৌধুরী মৌলভীবাজার মডেল থানায় ১২ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মামলা দায়েরের তিন বছর পেরিয়ে গেলেও মামলাটির এখনো কোন কূল-কিনারায় পৌঁছায়নি। পুলিশের দেয়া চার্জশিটে বাদীর নারাজির প্রেক্ষিতে মামলা এখন তদন্ত করছে পিবিআই।
নিহত শাবাব মৌলভীবাজার শহরের পুরাতন হাসপাতাল সড়ক এলাকার আবুবক্কর সিদ্দিক ও সেলিনা রহমানের ছোট ছেলে। মাহি সদর উপজেলার কনকপুর ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামের বিল্লাল মিয়া ও জুলেখা বেগমের ছেলে। ছেলে হারানোর শোকে এখনো কাতর হয়ে আছে এই দুটি পরিবার।
আলোচিত এ জোড়া খুনের ঘটনায় শাবাবের পরিবার থেকে তার মা সেলিনা রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে মামলা করলেও নিহত মাহির পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ মামলা দায়ের করেন নি।
নিহত শাবাবের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এত বড় চাঞ্চল্যকর ঘটনার সঠিক বিচার পাব কি না সেটা বুঝতে পারছি না। আমরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। দুইজন আসামীকে রিমান্ড মঞ্জুর করল আবার ওই দিনে রিমান্ড ক্যান্সেল হয়ে গেল। এর মানে কি। আবার দুইটা ছেলে বিদেশ চলে গেল। এসব কি ভাবে সম্ভব হল। আমরা চাই যারা দোষী তাদের বিচার হোক যাতে এই ধরণের ঘটনা ঘটাতে কেউ সাহস না করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় শাবাব ও মাহিকে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রাবাস এলাকায় ডাকা হয়। সেখানে শাবাব ও মাহিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা শাবাব-মাহির বন্ধুরা ও পথচারীরা গুরুতর অবস্থায় তাদের মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে পৌঁছালে চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, লোমহর্ষক এ হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ ১ বছর পর আদালতে চার্জশিট দায়ের করেন মডেল থানার তৎকালীন ওসি সোহেল আহাম্মদ। তিনি তুষারসহ ১০ জনকে আসামি করে চার্জশিট জমা দেন। কিন্তু বাকী দুই আসামিকে চার্জশিটের অন্তর্ভুক্ত না করায় বাদীর নারাজির প্রেক্ষিতে মামলা পিবিআইতে প্রেরণ করেন আদালত।
এ ব্যাপারে পিআইবি মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ বলেন, বাদিনী দুজন আসামীকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয়ায় আদালতে নারাজি জানান। আদালত মামলাটির তদন্তভার পিবিআইকে দিয়েছেন। মামলাটির তদন্ত পেয়ে আমাদের তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, সাক্ষদের জবানবন্দি নিয়েছেন, যাবতীয় কার্যকলাপ সম্পূর্ণ করেছেন। অচিরেই মামলাটির পুলিশি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়া হবে।
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার























