ঢাকা, রোববার   ১৪ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪৩৩

রণজিৎ জনি, মৌলভীবাজার

প্রকাশিত: ২০:০৪, ১৯ জানুয়ারি ২০২১
আপডেট: ২০:০৭, ১৯ জানুয়ারি ২০২১

শ্রীমঙ্গলের ডলুছড়ায় ৪৩ তম ককবরক ভাষা দিবস পালিত

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৪৩ তম ককবরক  ভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) শ্রীমঙ্গলের ডলুছড়া ত্রিপুরা গ্রা‌মে বৃহত্তর সি‌লেট ত্রিপুরা উন্নয়ন প‌রিষদের আয়োজনে ককবরক  ভাষা দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

সি‌লেট ত্রিপুরা উন্নয়ন প‌রিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দেববর্মার সঞ্চালনায় সভায় সভাপ‌ত্বিত ক‌রেন পরিষ‌দের সভাপ‌তি জনক দেববর্মা।

এদিন সভায় বক্তব্য রাখেন ত্রিপুরা গ্রামের মুরুব্বি সূর্য কুমার দেববর্মা, ধনঞ্জয় দেববর্মা, প্রদীপ দেববর্মা প্রমুখ।

বক্তব্যে বক্তারা ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ককবরক ভাষার ইতিহাস তোলে ধরেন।

১৯৭৯ সালে ককবরক ভাষাকে ভারতের ত্রিপুরা অঙ্গরাজ্যের সরকারি ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর থেকে প্রতিবছরের ১৯ জানুয়ারি এই জাতিগোষ্ঠীর লোকেরা ভাষা দিবস হিশেবে পালন করে আসছেন। বর্তমানে এই নিয়ে বিতর্ক চলছে যে এই ভাষাটিকে ভারতের জাতীয় ভাষাগুলোর মর্যাদা দেওয়া হবে কিনা।

কক এবং বরক এই দুইটি অংশ নিয়ে হয়েছে ‘ককবরক’। কক অর্থ ‘ভাষা’ আর বরক অর্থ ‘মানুষ’। পুরো মানেটা দাঁড়ায় ‘মানুষের ভাষা’। আসলে এখানে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী অন্তর্ভুক্ত মানুষদের কথা বলা হয়েছে; যারা এই ভাষায় কথা বলেন।

ককবরক ভাষাটি বিভিন্ন রূপে প্রথম শতাব্দী থেকেই এই অঞ্চলে প্রচলিত। ঐ শতকে ত্রিপুরার রাজাদের ইতিহাস লিখিত আকারে প্রথম সংরক্ষণ করা শুরু হয়। এই ভাষায় লেখার ক্ষেত্রে কেলোমা লিপি ব্যবহার করা হতো।

১৪শ শতক থেকে ২০০০ অব্দ পর্যন্ত ককবরক ভাষাকে স্থানীয় মানুষের মুখের ভাষায় পর্যবসিত করা হয় এবং বাংলা ভাষাকে ত্রিপুরার রাজদরবারের ভাষা বানানো হয়।

আইনিউজ/এইচএ

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়