নিজস্ব প্রতিবেদক, মৌলভীবাজার
স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে সাংস্কৃতিক অর্জন বিষয়ে মতবিনিময়
মৌলভীবাজার জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিজনদের নিয়ে স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে সাংস্কৃতিক অর্জন বিষয়ে মতবিনিময় সভা করেছে জেলা শিল্পকলা একাডেমি। জেলা প্রশাসক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি মীর নাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন ও নাট্য নির্দেশক আহমেদ ইকবাল হায়দার।
মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস হলরুমে মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিকজনদের নিয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়। এ সভায় মৌলভীবাজার সহ সিলেট বিভাগের নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠক, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা শিল্পকলার সাংস্কৃতিকজনরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভাটি সিলেট বিভাগের সাংস্কৃতিক সংগঠক ও কর্মিদের মিলন মেলায় পরিণত হয়।
জেলা শিল্পকলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা জ্যোতি সিনহার সঞ্চালনায় অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন, ঢাকার মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়ের নাট্য নির্দেশক মীর জাহিদ আহসান, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক খোরশেদুল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক মিন্টু।
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিজনদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, খালেদ চৌধুরী, আব্দুল মতিন, শাহাবউদ্দিন আহমদ, রজত কান্তি গোস্বামী, অনিরুদ্ধ কুমার ধর শান্তনু, আ স ম সালে সোহেল, সুদিপ দাশ, পান্না দত্ত, কয়ছর আহমদ, সৈয়দ মনসুর আহমদ সুমেল, সৈয়দ সামির পল্লব প্রমূখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, ৭১ সালের যুদ্ধ বিদ্ধস্ত বাংলাদেশ থেকে আজকের বাংলাদেশই স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে সাংস্কৃতিক অর্জন । মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে প্রতিটি গনতান্তিক আন্দোলনে সাংস্কৃতিক কর্মিদের অবদান রয়েছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, স্বাবলম্বী হচ্ছে। তবে মানবিক সমাজ গঠনে, মননের বিকাশে, মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক দেশ বিনির্মানে সাংস্কৃতিক চর্চা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে আরো পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন ও নাট্য নির্দেশক আহমেদ ইকবাল হায়দার বলেন সাংস্কৃতিক কর্মিরা কোন কিছু চাওয়া-পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে সাংস্কৃতিক চর্চা করেন না। বাউলরা মাঠে ময়দানে গান করেন নিজের খেয়ালে। কোন বাঁধাধরা নিয়মে নয়। নাট্যকর্মিরাও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে গনসচেতনা সৃষ্টি ও মানুষকে চিন্তার জায়গা করে দিতে নাটক করেন। মঞ্চ নাটকে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ প্রশংসিত।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের সাংস্কৃতিকজনরা নিজেদের অবস্থান নিজেদেরকে শক্ত করতে হবে। সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মধ্যদিয়ে জায়গা করে নিতে হবে। সিলেট অঞ্চল সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ। এটি ধরে রাখতে হবে। এখানকার আব্দুল করিম, হাসনরাজা,রাধারমনের গান দেশে বিদেশে জনপ্রিয়। তারাতো এখান থেকেই প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ ও আলোকিত সমাজ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংস্কৃতিক আন্দোলন নিজেদের অবস্থান থেকে চালিয়ে যেতে হবে।
আইনিউজ/পিডি/এসডি
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার
























