ঢাকা, সোমবার   ১১ মে ২০২৬,   বৈশাখ ২৭ ১৪৩৩

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২১:৫৬, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
আপডেট: ২২:৩২, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

সেই পারাবত ট্রেনেই কাটা পড়ে কমলগঞ্জে বৃদ্ধের মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

কুলাউড়ায় পারাবত ট্রেনের সামনে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন একই পরিবারের ৩ জন।  কুলাউড়া আসার আগে কমলগঞ্জে সেই ট্রেনের নিচেই কাটা পড়ে মারা গেছেন এক বৃদ্ধ।

কমলগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যাওয়া বৃদ্ধের নাম রুশন মিয়া (৭০)।

রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টায় উপজেলার শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনের অদুরে দক্ষিণ কেছুলুটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সেলিম আহমদ জানান, রোববার দুপুরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী আন্তনগর পারাবত এক্সপ্রেস রেল স্টেশনের অদুরে দক্ষিণ কেছুলুটি এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে রুশন মিয়া নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত রুশন মিয়ার বাড়ি শমশেরনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ কেছুলুটি গ্রামে। পরে নিহতের স্বজনরা লাশ নিয়ে যান।

শমশেরনগর ইউনিয়নের স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য আজিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত রুশন মিয়া প্যারালাইসড রোগী ছিল। ঘটনার পর আত্মীয় স্বজনরা নিহত বৃদ্ধের লাশ বাড়িতে নিয়ে যায় এবং বিকেলে জানাযার নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে একই ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৬জন। রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ভাটেরা এলাকার হোসেনপুর রেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, উপজেলার ভাটেরা এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুটি মাইক্রোবাস সিলেট থেকে রওয়ানা দেয়। ভাটেরা এলাকায় একটি মাইক্রোবাস রেলক্রসিং পার হলেও অপরটি ট্রেনের সামনে পড়ে যায়। এতে ট্রেনটি মাইক্রোবাসটিকে টেনে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায়।  

দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোবাসটিতে একই পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। এদের মধ্যে তিনজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- ফরিদ আহমদ (৪৫) ও শিশু নাবিল (৮)।

এছাড়া আহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- লিলি (১৩) ও লিজু (১৫)। তারা আপন বোন বলে জানা গেছে। আহতরা সকলেই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। 

আইনিউজ/প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ/এসডি

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ