নূর উর রহমান
আপডেট: ১৯:৫৩, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১
স্মৃতির শহরে ফুল
ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকরা কেবল যে আমাদের অঞ্চল থেকে সম্পদ লুটে নিয়ে যেত তা নয়, উদ্ভিদ জগৎকেও তারা পুনর্বিন্যাস করে দিয়ে গেছে। তা না হলে আমরা পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার ঢাল থেকে আদিবাসীদের কাছ থেকে পাওয়া আলুর স্বাদ পেতাম না। ঝালের জন্য আমাদের নির্ভর করতে হতো আদা আর গোলমরিচ অথবা ছুঁইঝালের উপর, যদিনা পর্তুগিজরা ম্যাক্সিকো থেকে নানা রকমের মরিচ নিয়ে আসতেন এই উপমহাদেশে। সব আদান প্রদানের বাহন ছিল জাহাজ, জাহাজে তারা চারা, বীজ বাঁচিয়ে রাখতেন দিনের পর দিন- মাসের পর মাস। পৃথিবীর অন্য কোনো প্রান্তে লাগাবেন বলে।
আমাদের দেশের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে নানা প্রজাতির ফুল এবং ফল। দেশের এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় এদের বিস্তার ঘটেছে অনেক দেরিতে। কুমিল্লা থেকে বিলম্বি আর করমচার সিলেট আসতে আসতে বছর ত্রিশেক লেগে গেছে বলেই আমার ধারণা। আর খুলনা এলাকা থেকে কদবেল এখনো আসেনি।
আমাদের প্রকৃতি ও জলবায়ুকে কাজে লাগাতে পারছিনা আমরা। তেমন আগ্রহ কারো আছে বলেও মনে হয়নি আমার। এতো গেল ফলের কথা, আর ফুলের প্রতি ভালোবাসা কি আমাদের আদৌ জন্মেছে? গাজীপুর জেলার বলধার জমিদার নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরী ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বলধা গার্ডেনের সূচনা করেন। তিনি দুটি উদ্যান তৈরি করেন। প্রথম উদ্যানটির নাম রাখেন "সাইকী"। পরবর্তিতে তৈরি করা হয় দ্বিতীয় উদ্যান "সিবলী"।
নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরীর মৃত্যুর পর কোনো এক সময়ে এ দুটি উদ্যানকে সম্মিলিতভাবে বলধা গার্ডেন নামে আখ্যায়িত করা হতে থাকে। ৩.৩৮ একর জায়গার উপর এই উদ্যান নির্মাণ করা হয়েছে। জমিদার নারায়ণ চন্দ্র চৌধুরী পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে নানারকম ফুলগাছ ও অনান্য উদ্ভিদ এনে রোপন করেছেন নিজের তৈরী এ গার্ডেনটিতে। বলধা গার্ডেনে যেমন দেশ বিদেশের বিভিন্ন উদ্ভিদ রয়েছে ঠিক তেমনি দেশ বিদেশের খ্যাতিমান লোকেরা বলধা গার্ডেন দেখতে আসতেন। এখনো বলধা গার্ডেন নিয়ে ঢাকাবাসীর আগ্রহের কমতি নেই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও বলধা গার্ডেন পরিদর্শনি করেছিলেন। তখন তিনি এ গার্ডেনের বহু বিদেশী ফুলের বাংলা নামকরণ করেছিলেন।
আমার শৈশব কৈশোরের শহর মৌলভীবাজার। বড় হয়েছি এই শহরেই। এই শহরের গাছ গাছালির সাথে সঙ্গত কারণেই একটা নিবিড় অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল দিনে দিনে। বাসা থেকে বের হয়ে মাঝে মাঝে এসডিও অফিসের নিচে হরিদার রেস্টুরেন্টে গরম গরম মচমচে সিঙ্গারা খেতে আসতাম- আর সে পথেই দেখা মিলতো একটা বিশাল ফুল গাছের যা আজও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের উপরে ডানা মেলে দাঁড়িয়ে আছে।
কিন্তু কারো কাছ থেকেই গাছটির নাম জানতে পারিনি, বহু বছর আমার কাছে অজানাই থেকে গেছে এর নাম। বাদর লাঠি গাছ নামেই স্থানীয়রা চিনতেন একে। গ্রীষ্মের প্রথম দিকে কৃষ্নচূড়ার সাথেই ফোটে এর ফুল। দেখতে চেরি ফুলের মতো ক্যাসিয়া জাভানিকা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ারই ফুল। ক্যাসিয়া জাভানিকা মাঝারি আকারের গাছ। অনেকটা খাড়া ধরনের এ গাছ ২০ ফুটের বেশি উঁচু হয় না। তবে যখন গাছে ফুল ফোটে তখন সেই একই গাছ সৌন্দর্য ও বিশালতায় অসাধারণ মনে হয়। উজ্জ্বল সবুজ পাতার ক্যাসিয়া জাভানিকা মূলত শুষ্ক অঞ্চলের গাছ।
ড. এআর খান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০২ সালে সাতটি গাছ রোপণ করেছিলেন, সেই তখন থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কে আলাদা মহিমা দিয়ে যাচ্ছে এই ফুল। এখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সে গাছে ফুল ফুটলে পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। এই ফুল প্রতিবছর বসন্ত বিদায়ের আগে নিজেকে উজাড় করে সাজিয়ে দেয় প্রকৃতিকে।
দেশে ঢাকার রমনা, হাইকোর্ট, বিজয় সরণি ছাড়া খুব বেশি স্থানে এই গাছ দেখা যায় না। মধ্য-বসন্তে গাছ গুচ্ছবদ্ধ অজস্র সুগন্ধযুক্ত ফুলে ভরে ওঠে। তখন গাছের ডালজুড়ে ফুটে থাকা গোলাপি রঙা ফুল শুধু চেয়ে দেখতে ইচ্ছা করে! ক্যাসিয়া জাভানিকা বাংলাদেশে স্বল্প পরিচিত। ক্যাসিয়া জাভানিকার প্রচলিত নাম বার্মিজ পিংক ক্যাসিয়া। বাংলাদেশে কেউ কেউ এই ফুলকে বার্মিজ গোলাপি কৃষ্ণচূড়াও বলে থাকেন।
ক্যাসিয়া জাভানিকা ফুল ফোটার সময় রঙ গাঢ় গোলাপি থাকে। বাসি হলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ফ্যাকাসে গোলাপি আবার কোথাও কোথাও সাদা রঙ ধারণ করতে দেখা যায়।
গাছটির প্রতি আমার এক ধরণের ভালোবাসা জন্মে, আবিষ্কার করি একই এলাকায় আরো তিনটি গাছ আছে, একটি সার্কিট হাউসের পেছনে, একটি খ্রিস্টানদের কবরস্থানে। পরে আরও চারটি গাছের অবস্থান শনাক্ত করি। দুটি মৌলভীবাজার সরকারি কলেজে, একটি ফুড অফিসের সামনে, আরেকটি সরকারি মহিলা কলেজে। সম্ভবত, এই গাছগুলি প্রাকৃতিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। গত তিন বছরে আমরা এদের মধ্যে তিনটি গাছ হারিয়েছি, মৌলভীবাজার কলেজের একটি, খ্রিস্টান কবরস্থানের একটি এবং ফুড অফিসের সামনের গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে।

কিন্তু এই ব্যাপারটা আমাকে বিস্মিত করে যে প্রজাতিটি কোদালীছড়া পার হয়ে উত্তরে বা পশ্চিমে যায়নি, কলিমাবাদ এবং বনশ্রীতেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। কোদালীছড়ার উত্তর ও পশ্চিমে নিয়ে যাওয়ার মতো এমন কোনো ফুল প্রেমিক আসেন নি অন্তত পঁচাত্তর বছর সময়ের ভেতর।
কোদালীছড়া পার করে বহু যুগ পর ছোট ভাই মন্জু একটি গাছ লাগিয়েছে তাদের গীর্জাপাড়ার বাড়িতে। গত বছরেই প্রথম ফুল এসেছে গাছটিতে। শহরের প্রথম গাছটি কে লাগিয়েছিলেন আজ আর তা জানার উপায় নেই। নিশ্চয়ই এসডিও সাত্তার সাহেব, সাবেক মন্ত্রী মহসিন আলীর মতো কোনো ফুল প্রেমিক এসেছিলেন আমাদের শহরে। এই নাম না জানা ফুল প্রেমিকের প্রতি রইলো আমাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।

আমাদের সময়ে মৌলভীবাজার পাবলিক লাইব্রেরির অবস্থা ছিল জমজমাট। দেশটা তখন গরীব ছিল কিন্তু পাবলিক লাইব্রেরিতে দারিদ্রের কোনো চিহ্ন ছিলোনা। দেশের অবস্থা এখন ভালো যেখানে কুঁড়েঘর ছিল সেখানে দালান উঠেছে। মাথায় ঢুকেনা জ্ঞানের আঁধারটাই যদি গরীব থাকে তবে দেশ ধনী হয় কি করে। সে যা হোক পাবলিক লাইব্রেরি'র সামনেই ছিল দুটো মাঝারি উচ্চতার চাপা ফুল জাতীয় গাছ। জীবিকার টানে ছুটে ছুটে গেছি পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ওপর প্রান্তে, ফিরে ফিরে এসেছি নিজের শহরে, না সে গাছগুলিকে আর ফিরে পাইনি। হয়তো কাটা পড়েছে, হয়তো মরে গেছে। কেউ রিপ্লেস করেনি, রিপ্লেসমেন্ট শব্দটি আমাদের অভিধানে নেই। মৌলভীবাজারে কোর্ট রোডটাই আমাদের প্রধান সড়ক, এক কথায় মেজেস্টিক। এ পথের দু ধারে ছিল বেশ ক'টা বিশাল উচ্চতার মেহগনি গাছ। আরো কয়েকটা ছিল হসপিটাল রোডেও। বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন এবং জননিরাপত্তার অজুহাতে কেটে ফেলা হয় গাছগুলো, আর কোনোদিন একটা পাট গাছ লাগিয়েও রিপ্লেস করা হয়নি সেগুলো।

পাবলিক লাইব্রেরি কম্পাউন্ডের মতোই গভর্নমেন্ট স্কুলের প্রবেশ পথের বা দিকে একটা চাপা জাতীয় গাছ আর আরেকটি নাগেশ্বর গাছ ছিল। আজ আর সে সবের কিছুই নেই। সম্ভবত সেই একই লোক পাবলিক লাইব্রেরি আর গভর্নমেন্ট স্কুলে গাছগুলো লাগিয়েছিলেন কিন্তু সে নাম মুছে গেছে। তাছাড়া মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বাগানটি তেমনি আছে, এক চুল বাড়েও. নি কমেও নি। সে বাগানে আমরা বছর তিনেক আগে কিছু গাছ যুক্ত করেছি। সংযোজন করা হয়েছে প্লুমেরিয়া পুডিকা, অশোক আর নাগেশ্বর। মাঠের এক পাশে লাগানো হয়েছে টেকোমার সারি, শহীদ মিনারে লাগানো হয়েছে টেবেবুইয়ার মত বিরল ফুল। গাছগুলো বাঁচিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছি আমরা। করোনা কালে পানি পাচ্ছেনা গাছগুলো নিয়মিত। স্বেচছাসেবক পাওয়া একেবারেই দুস্কর। শহরের জীবন নগদমুখী, প্রতিবেশ পরিবেশের কোনো দাম নেই এখানে। শিশু পার্কে আগের মেয়র কয়েকটা ফুরুস গাছ লাগিয়েছিলেন সেগুলোতে ফুল আসে, নুতন মেয়র যত্ন নেন পার্কটির। তবে এটা এখন আর শিশু পার্ক নেই। মৌলভীবাজার শহরে ফুল দেখতে হলে যে জায়গাটিতে আমরা যাবো সেটা হলো প্রবীণাঙ্গণ। দু বছরের সময়ের ভেতরই গড়ে তোলা হয়েছে অঙ্গণটি, মনের মাধুরী মিশিয়ে নানা প্রজাতির নানা রঙের বাহারি ফুল গাছ লাগিয়েছেন মেয়র ফজলুর রহমান। অঙ্গণটি মেয়রকে হতাশ করেনি, ফুল ফুটছে আর মানুষ মেয়রের প্রশংসা করছে।

সামগ্রিকভাবে অনেক ফুলই নেই মৌলভীবাজারে, রাধাচূড়া নেই, পলাশ নেই, জারুল নেই, মহুয়া নেই, কাঞ্চন নেই, শিমুল নেই, উদাল নেই। কোদালিছড়ার দুইপাশে মেয়র যে ওয়াকওয়ে করবেন সেখানে আমরা এই সব গাছ লাগাতে চাই। মৌলভীবাজার কলেজের বিশাল ক্যাম্পাসে আমরা এই গাছগুলো লাগাতে পারি। কিন্তু সমস্যা হলো কলেজের স্টাফরাই পুরো ক্যাম্পাসকে গোচারণভূমি বানিয়ে রেখেছেন, তাই গাছ লাগালেও সুফল পাওয়া যায়না। সরকারি মহিলা কলেজেও একই অবস্থা। বাগান করে দিলেও কেউ বাগানের পরিচর্যা করেনা। এ সব প্রতিষ্ঠানে যারা মালি হিসেবে নিযুক্তি পান, তাদের শেষমেশ অর্ডারলী'র কাজ করানো হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে উদ্ভিদ বিজ্ঞান পড়ানো হয়, বিষয়গুলোর শিক্ষকও আছেন। কিন্তু নিজেদের ক্যাম্পাসের ল্যান্ডস্ক্যাপ নিয়ে তারা নির্বিকার, নির্লিপ্ত। চমৎকার অবস্থায় আছে কেবল আলী আমজাদ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বাগানটি।

শহর ও শহরতলির জল এসে ফাটাবিল আর আর বেরি লেকে জমা হতো। ফাটাবিল আর এখন আর বিল নেই, মানুষ তার প্রয়োজনে আবাসন গড়েছে সেখানে। সে কারণেই কোদালীছড়াকে আরো প্রশস্ত, আরো গভীর করার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তা না করে মানুষ কেবল তা দখলই করে গেছে। ধন্যবাদ মেয়র ফজলুর রহমানকে, বয়সে তরুণ হলেও কোদালীছড়ার গুরুত্ব বুঝতে তার দেরি হয়নি। বেরি লেকের জলও দক্ষিণ পশ্চিম কোণ দিয়ে বের হয়ে প্রশস্ত খাল দিয়ে সেই কোদালীছড়ায়ই গিয়ে পড়তো। ছোট বেলায় দেখেছি সেই কোণাতে উৎসব করে ছোট মাছ ধরা হতো। সেই খালও অনেক ছোট হয়ে গেছে। তাই মনু থেকে পানি ছুঁয়ে এলে দ্রুত জল অপসারিত হয়না। অনেক জায়গায় আমাদের লাগানো ফুল গাছ পানি জমে থাকার কারণে মরে গেছে। নগর বনায়নের জন্য ঠিকমতো পানি নিষ্কাশন একটি প্রধান শর্ত। মেয়র কিছু উচ্চ বিলাসী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন, আমাদের উচিত হবে মেয়রকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করা। মেয়রের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পানি জমে থাকবে না, এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বর্জ্য থাকবেনা, তিলোত্তমা হয়ে গড়ে উঠবে আমাদের শহর।

শহরের প্রবেশমুখ থেকে এসআর প্লাজা পর্যন্ত বিস্তৃত ঢাকা সিলেট মহাসড়কের বিভাজনের উপর যে ফুলগাছগুলো সৈয়দ মহসিন আলী লাগিয়েছিলেন তার সুফল আমরা পাচ্ছি। প্রথম বৃষ্টির পর থেকেই গাছগুলো মাথাচাড়া দিয়ে চাঙ্গা হয়ে ওঠে ফুল দিতে শুরু করে। শুস্ক মৌসুমে জল দিয়ে গাছ গুলো বাঁচিয়ে রাখতে হয় সে কাজটি আমরা করি না। সড়কের দুপাশেই দোকানপাট রয়েছে এবং সে সব দোকানে পানিতো আছেই। কিন্তু চোখের সামনে গাছগুলো মরে যাচ্ছে দেখেও আমরা কেউ এগিয়ে আসি না। কর্তৃপক্ষের মুখের দিকে চেয়ে থাকি। বিষয়টি কষ্টের এবং লজ্জার।

মৌলভীবাজার জেলাতে গড়ে ওঠা পর্যটন শিল্প থেকে মৌলভীবাজার শহর খুব কমই লাভবান হচ্ছে। এই নিয়ে মৌলভীবাজার শহরবাসীর চিন্তা ভাবনা করা উচিত। পুরো দেশের ভেতর মৌলভীবাজার শহর আবাসিক দিক থেকে নিরাপদতম শহর। শহরটি প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর, মনোরম। পৌরসভার কোদালিছড়া প্রকল্প, প্রবীণাঙ্গন, মনুতীর এবং বেরি লেক নিয়ে মেয়রের যে ভাবনা তা বাস্তবায়িত করা গেলে নিঃসন্দেহে মৌলভীবাজারের হোটেল, গেস্ট হাউস শিল্পের প্রসার ঘটবে। মৌলভীবাজার শহর এখনও মূলত প্রবাসী আয়ের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু চিরকাল তো আর প্রবাসী আয় থাকবে না।
শহরের যেখানে যেখানে ফুল গাছ লাগানো যায়, সে সব জায়গায় বহু বর্ষজীবি ফুল গাছ লাগানো উচিত। আগামীর জন্য জনগণকেও প্রস্তুত করতে হবে আমাদের । শহরে নগরকেন্দ্রিক বনায়ন করতে হলে অনেকগুলি বাধা দূর করতে হবে প্রথমেই। যেমন ইতস্তত বিক্ষিপ্ত চরে বেড়ানো গবাদি পশুকে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং সফলভাবে বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারা। আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা এসব নিয়ে ভাববেন, এই কামনা।
এই সঙ্গে আমাদের শহরে যারা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে ফুলের বিস্তার ঘটাতে কাজ করছেন তার মধ্যে মেয়র ফজলুর রহমান, ডা. এম এ আহাদ, অধ্যাপক আব্দুল খালিক, সাহিত্যিক-সাংবাদিক আকমল হোসাইন নিপু, সাংবাদিক হাসানাত কামাল, ইঞ্জিনিয়ার মনসুরুজ্জামান, শামছুল হোসেন চৌধুরী, এহসানা চৌধুরী, সৈয়দ আব্দুল মোতালিব রনজু, নূর আলম ফটিক, রফিকউদ্দিন চৌধুরী রানা, ইঞ্জিনিয়ার কামরুল হক চৌধুরী, একে সুজাউল করিম, কাউন্সিলর সালেহ আহমদ পাপ্পু সহ আরো যাদের নাম মনে আসছে না তাদের সকলকে আমি আমার কৃতজ্ঞতা জানাবো।
আইনিউজ/এসডি
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার
























