ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৭ জুলাই ২০২২,   আষাঢ় ২৩ ১৪২৯

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫:৪৩, ৯ মে ২০২২
আপডেট: ১৫:৫৩, ৯ মে ২০২২

মৌলভীবাজারে কার কাছে কত তেল মজুদ আছে

দেশে সয়াবিন তেলের দাম লিটার প্রতি ৩৮ টাকা বাড়ানোর পরও সংকট কাটেনি। বাজারের বেশিরভাগ দোকানেই তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এরই জেরে মৌলভীবাজারের ডিলার এবং পাইকারী ব্যবসায়ীদের সয়াবিন তেল মজুদের তথ্য সংগ্রহ করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার পশ্চিমবাজার, জুগিডর, সিলেট রোড, সেন্ট্রাল রোডসহ বিভিন্ন জায়গায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকি কার্যক্রম, অন্যান্য উপজেলায় ফোন করে এবং গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে বর্তমানে মৌলভীবাজারে ডিলার এবং পাইকারী ব্যবসায়ীদের ভোজ্য তেল সয়াবিনের মজুদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী ডিলার এবং পাইকারী ব্যবসায়ীদের কাছে অল্প পরিমাণ তেল মজুদ আছে। কারো কাছে একেবারেই নেই।

যেমন- বসুন্ধরার ডিলার শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত জননী স্টোর বা কুলাউড়ায় অবস্থিত সাইদুল এন্টারপ্রাইজ যাদের কাছে তেল নেই। 

তীর এবং রুপচাঁদার ডিলার সদর উপজেলায় অবস্থিত পাইকারী ব্যবসায়ী রিফাত ফুড বা মৌলভী ক্যাশ এন্ড ক্রেডিট, সোহেল এন্টারপ্রাইজের কাছেও তেল নেই।

আরও পড়ুন- ভোজ্যতেলের সংকট সৃষ্টিকারীরা চিহ্নিত : বাণিজ্যমন্ত্রী

বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত সামছু ভেরাইটিজ স্টোরে আছে ১৩০০ লিটার, সদর উপজেলায় অবস্থিত মেসার্স সালাউদ্দিন স্টোরে আছে ৩০০০ লিটার, লিটন এন্টারপ্রাইজে আছে ২০০ লিটার, শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত কুসুম বাণিজ্যালয়ের কাছে আছে ১৮০ লিটার। এদের সকলেই পাইকারী ব্যবসায়ী। 

আবার তেলের ডিলার হিসাবে আছে বড়লেখার ইমরান স্টোর, কুলাউড়ায় জাহাঙ্গির স্টোর, সদর উপজেলায় ইকবাল এন্টারপ্রাইজ, শ্রীমঙ্গলে মেসার্স কদর আলী স্টোর, বড়লেখায় রাজুল ট্রের্ডাস। যাদের কাছে তেল মজুদ আছে যথাক্রমে ২০০ লিটার, ৩০০ লিটার, ১৪০ লিটার, ১০০ লিটার, ১,১২০ লিটার। 

পাশাপাশি শ্রীমঙ্গলের অবস্থিত সরুবিন্দ এন্ড ব্রাদার্স যিনি তেলের ডিলার, তার কাছে আছে ৪,৫০০ লিটার লুজ পাম ওয়েল। 

আরও পড়ুন- ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে, তা নিয়ে নিউজ হচ্ছে না’ 

ভোক্তা অধিকারের বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, মৌলভীবাজারে ভোজ্য তেলের সংকট আছে। তবে ডিলার বা পাইকারী ব্যবসায়ীরা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরকে জানিয়েছে কোম্পানিগুলো তাদের কাছে থেকে তেলের অর্ডার নিয়েছে।  দু-একদিনের মধ্যে তেলের চালান চলে আসবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক খুচরা দোকানে পর্যাপ্ত তেল না থাকলেও কিছু পরিমাণ তেল আছে। 

মৌলভীবাজারের সকল শ্রেণির ব্যবসায়ীকে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে নতুন দামে তেল আসার আগ পর্যন্ত আগের তেল আগের দামেই বিক্রি করার জন্য।

আগের দামের তেল নতুন দামে কোনো ব্যবসায়ী বিক্রি করলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ করা যাবে বলে প্রতিষ্ঠানটির মৌলভীবাজার জেলার সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন।

আইনিউজ/এসডিপি

আইনিউজ ভিডিও

গ্রিসে পাঁচ বছরের ভিসা পাবে বাংলাদেশিরা

ঐতিহ্যবাহি আদিবাসি সাঁওতাল নৃত্য

মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে হবে মেডিকেল কলেজ : মন্ত্রী

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়