শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি
শ্রীমঙ্গলে জানমালের নিরাপত্তায় সহায়তার দাবি সংখ্যালঘু পরিবারের
লিখিত বক্তব্য পড়ছেন ভুক্তভোগী মনোরঞ্জন বিশ্বাস। ছবি- আইনিউজ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সরকারী নিয়মকানুন মেনে বৈধ ভাবে জলমহাল লীজ বন্দোবস্ত নিয়ে মাছ ধড়তে পারছেন না লিজগ্রহীতা মনোরঞ্জন বিশ্বাস। বরং তার নিজের মৌরশী জমিতের বিভিন্ন টালবাহানা দিয়ে হুমকি ধামকি সহ মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে খোরশেদ আলম গং নামের এক স্থানীয় প্রভাবশালী। বিপাকে পড়ে তাই প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের কাছে আইনি সহায়তার দাবি করেছেন এক অসহায় সংখ্যালঘু পরিবার।
আজ সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকালে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের বিপুল রঞ্জন চৌধুরী ও মহরম খান মিলনায়তনের এক সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের বরুনা গ্রামের বাসিন্দা মনোরঞ্জন বিশ্বাস লিখিত বক্তব্যে এসব তথ্য জানান।
লিখিত বক্তব্যে ভোক্তভোগী মনোরঞ্জন জানান, তিনি উপজেলার বরুনা এলাকার হাইল হাওরের বয়রা বিলে সরকারি জলমহাল এবং ব্যক্তি মালিকানায় প্রায় ১০৬ একর জমিতে মাছ চাষ করে আসছেন। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে অন্নপূর্ণা মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে ডিসি অফিস থেকে বৈধ ভাবে জলমহাল ইজারা রয়েছে প্রায় ৯২ একর। বাকি জমি ব্যক্তি মালিকানা।
মৌলভীবাজার আটঘর এলাকার চিহ্নিত মামলাবাজ শেখ খোরশেদ আলমের মদদে বরুণা গ্রামের কলা মিয়া, দিলু মিয়া, মামুন মিয়া, নুরুল হক, তবারক মিয়াসহ কতিপয় ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এসব জল মহাল থেকে সন্ত্রাসী কায়দায় জোর পূর্বক মাছ লুটপাট ও সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতি করে আসছে।
প্রতিবাদ করলে তারা প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এতে করে গত কয়েক বছরে প্রায় ৭-৮ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।
এনিয়ে গত ৮ ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। পরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান এর মধ্যস্থতায় সেখানে পাহারাদার নিয়োগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় গত ২৫ ডিসেম্বর উল্লেখিত দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জলমহালের নিযুক্ত পাহারাদার ও লোকজনদের ঘেরাও করে বেধম মারপিট করে। এসময় তারা জলমহাল থেকে বিভিন্ন প্রজাতির দুইটি মাছ বোঝাই নৌকা জোর পূর্বক নিয়ে যায়। এনিয়ে কোথাও কোন প্রতিকার মিলছে না।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার সম্পদ ও পরিবারের নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার বলেন, গতকাল রাতে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন বলেন, বে-আইনী ভাবে কেই মাছ ধরলে আমরা মৎস কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনে মামলা করা হবে বলে জানান।
আইনিউজ/এইচএ
আইনিউজে আরও পড়ুন-
- কোমরে বাশি, হাতে তালি — গানই মদিনা ভাই’র জীবন-মরণ
- ‘গাছ হেংলানেছে- পয়সা মিলেগা’ : চা শ্রমিক ও চা শিল্প
- পোশাক নয়, নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ জরুরি
দুবাইয়ে লটারি জিতে একরাতে কোটিপতি বাংলাদেশী যুবক | দুবাই প্রবাসী
মানুষ হত্যা করেছে মা হাতিকে, দুধের জন্য কাঁদছে বাচ্চা হাতিটি
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার

























