ডেস্ক নিউজ
ফসলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানোর দিশা
প্রতিদিনই হু হু করে বাড়ছে বিশ্বের জনসংখ্যা। বাড়তি মানুষের জন্য দরকার হচ্ছে বাড়তি বাসস্থান, বাড়তি খাবার। কিন্তু নতুন নতুন বাসস্থান তৈরি করতে গিয়ে কমছে খাদ্য উৎপাদনের জমি। এই কারণে গেল কয়েক দশক ধরে কম জমিতে অধিক ফসল উৎপাদনে নেওয়া হয়েছে উচ্চ ফলনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনসহ বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক সার ব্যবহার করে ফলন বাড়ানোর উদ্যোগ। কিন্তু কৃষিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে মানুষের শরীরে, জমিতে ও জীববৈচিত্র্যে। এই ক্ষতি যখন মাত্রা ছাড়াতে শুরু করেছে তখন প্রশ্ন উঠেছে এর থেকে কি পরিত্রাণ নেই?
যুক্তরাজ্যের নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক সম্প্রতি এই অবস্থা থেকে মুক্তির একটি দিশা দেখেছেন। তারা দেখেছেন, উদ্ভিদের শেকড়ে থাকা প্রোটিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে রাসায়নিক সারের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনা সম্ভব। গেল সপ্তাহে কারেন্ট বায়োলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে তাদের এই সংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধটি।
ওই নিবন্ধের বরাতে সায়েন্স ডেইলির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষকরা জানতে পেরেছেন উদ্ভিদের শেকড়ে থাকা প্রোটিন কীভাবে বিভিন্ন খনিজ ও পানি গ্রহণ করে তার একটি রূপরেখা। তাদের দাবি, এই আবিষ্কার জলবায়ু সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবনসহ রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে আনার উপায় বাতলে দেবে।
গবেষকরা দেখেছেন উদ্ভিদের শেকড়ে থাকা ব্লু কপার প্রোটিনের বিন্যাস তার পানি ও অন্যান্য খনিজ শোষণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। উদ্ভিদের জন্য বেশি পানি ও খনিজের দরকার পড়লে কোষগুলো পরস্পর থেকে কিছুটা দূরে সরে যায় আবার পানির ও খনিজের প্রয়োজনীয়তা কমলে কোষগুলো পরস্পরের খুব কাছে এসে শোষণের পথ বন্ধ করে দেয়।
গবেষকরা বলছেন, ব্লু কপার প্রোটিন পরিবারের ক্ষেত্রে পৃথিবীর সর্বাধিক পরিমাণে জৈব পলিমারগুলোর একটি লিনগিনের জৈব সংশ্লেষের ধরন বোঝার প্রথম প্রমাণ এই আবিষ্কার। শুধু তাই নয়, এই আবিষ্কার দেখিয়েছে, ক্যাস্পারিয়ান স্ট্রাইপ লিনগিনের অবস্থান বদলিয়ে খনিজ বা পানি শোষণের মাত্রায় কত বিপুল ভূমিকা রাখে।
গবেষক দলের প্রধান ও নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োসায়েন্স ও ফিউচার ফুড বিকন স্কুলের জিলহেম রিৎ বলেন, এই গবেষণা আসলে উদ্ভিদে খনিজ ও পানির শোষণের আণবিক মেকানিজম উন্মোচন করেছে। এর ফলে খরা, বন্যা, অপুষ্টিজনিত নানা প্রতিবন্ধকতা থেকে বাঁচানোর উপায় জানা যাবে। এই গবেষণা ফসলে সারের প্রয়োজনীয় মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এই মেকানিজম জানার ফলে বিশেষ করে নাইট্রোজেন, সালফার ও ফসফরাসজাত সারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে। শুধু তাই নয়, এক্ষেত্রে ফসলের উৎপাদনে নেতিবাচক কোনো প্রভাব পড়বে না।
সায়েন্স ডেইলি বলছে, আবিষ্কারটি এখনো অনেক প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। কোন পদক্ষেপে কোন সারের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু কমানো যাবে তা জানতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে।
- আইয়ুব খানের পদত্যাগের দিন আজ
- টাই পরা বাদ দিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করতে চান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
- যুদ্ধবন্দী কারাগারে বোমা হামলা, পরস্পরকে দোষছে রাশিয়া-ইউক্রেন
- আবারও মক্কায় কালো পাথর স্পর্শ-চুম্বনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা
- মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে পুরুষদের সেক্স পার্টনার কমানোর পরামর্শ
- ভারতের স্বাধীনতা দিবস শনিবার
- গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে হা*মলা, নি হ ত ৯ হাজার ছাড়িয়েছে
- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা মারা গেছেন
- মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় ৪২ সেনার মৃত্যু
- ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য হিও গ্রাঞ্জে দো সুলে বনায় ৫৬ জন নি হ ত
























