ঢাকা, রোববার ০৯ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ২৫ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৪০, ২৬ জানুয়ারি ২০২১

ইন্দোনেশিয়ার কাছে জাহাজ আটকের কারণ জানতে চায় ইরান

গত রোববার ইরান ও পানামার পতাকাবাহী দুটি জাহাজ আটক করে ইন্দোনেশিয়া। কিন্তু আটক করার কারণ কী তা তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য চেয়েছে ইরান। জাহাজ আটকের একদিন পরইদেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাকার্তাকে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানাতে বলেছে।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খতিবজাদেহ এ কথা জানিয়েছেন।

এদিকে রোববার জাকার্তা জানায়, নিজেদের জলসীমায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পরিবহন করছিল ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ এমটি হর্স ও পানামার পতাকাবাহী জাহাজ এমটি ফ্রিয়ে। এরপর ওইদিনই জাহাজ দুটিকে আটক করে ইন্দোনেশিয়ার কোস্টগার্ড। খবর রয়টার্স

সংবাদ সম্মেলনে খতিবজাদেহ বলেন, জাহাজ আটক করা একটি ‘প্রযুক্তিগত সমস্যা এবং শিপিংয়ের ক্ষেত্রে এটি ঘটে’।

তিনি বলেন, আমাদের বন্দর সংস্থা ও জাহাজের মালিক সংস্থা সমস্যার কারণ খুঁজে বের করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছে।

ইন্দোনেশিয়াল কোস্টগার্ডের মুখপাত্র উইসনু প্রমন্দিতা বলেছেন, কালিমন্থান প্রদেশের জলে জব্দ করা ট্যাংকার দুটি আরও তদন্তের জন্য রিয়াউ দ্বীপ প্রদেশের বাটাম দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হবে।

তিনি বলেন, জাহাজ দুটির আশপাশ দিয়ে তেল ছড়িয়ে পড়ছিল। জাহাজ দুটিতে থাকা লোকজন এ ঘটনার জন্য লজ্জাবোধ করছিলেন।

তিনি জানান, দুটি জাহাজে ৬১ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। তাদের আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে ইরানি এবং চীনা নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র বা জ্বালানি মন্ত্রণলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।

রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রেফিনিটিভ একনের শিপিংয়ের তথ্যে দেখা গেছে, সুপারট্যাংকার দুটির প্রত্যেকটি দুই মিলিয়ন ব্যারেল তেল বহন করতে সক্ষম। এছাড়া জাহাজ দুটি এ মাসের শুরুর দিকে সিঙ্গাপুরে শেষ ভ্রমণ করেছে বলে জানা গেছে।

জাহাজ দুটিকে রোববার স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে শনাক্ত করা হয়। সে সময় জাহাজ দুটিতে নিজ নিজ দেশের পতাকা ছিল না। একইসঙ্গে তারা স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ পদ্ধতি বন্ধ করে রেখেছিল। এমনকি বেতারবার্তারও কোনো জবাব দিচ্ছিল না।

আইনিউজ/এইচএ

 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়