ঢাকা, সোমবার   ১৫ জুন ২০২৬,   আষাঢ় ১ ১৪৩৩

হেলাল আহমেদ

প্রকাশিত: ১১:৩৫, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০

শহীদদের স্মরণে উদীচীর বিজয় দিবসের গান

ছবি: আইনিউজ

ছবি: আইনিউজ

আজ ১৬ ডিসেম্বর, বাঙালির মুক্তির দিবস আজ। ১৯৭১ সালে এই দিনে পাকিস্তানী হানাদারদের থেকে পূর্ণ বিজয় ব্লাভ করে বাংলাদেশ। তবে বাঙালির এ বিজয় শুধু মুক্তিযুদ্ধেরই ফসল নয় ৩০ লক্ষাধিক শহীদদের আত্ম বলিদানেরও ফসল।

সারাদেশের মতো মৌলভীবাজারেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে গৌরবের বিজয় দিবস। সকাল ৮টায় জেলার স্মৃতি সৌধে পুস্প স্তবক অর্পণ করে উদীচী মৌলভীবাজার জেলা সংসদ। তারপরেই শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে শিশু-কিশোর এবং উদীচী কর্মীদের নিয়ে সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয় বিজয় দিবসের গান।

এর আগে উদীচী মৌলভীবাজার জেলা সংসদের সভাপতি এডভোকেট মিজানুর রহমানের উপস্থিতিতে পুস্প স্তবক অর্পণ করে মৌলভীবাজার উদীচীর কর্মীরা। আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনায় বিজয় দিবসের গুরুত্ব এবং দেশে চলমান সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন কমিউনিস্ট পার্টিসহ উদীচীর নেতারা। 

উদীচী আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। পড়ে একাত্তরের বীর শহীদদের স্মরণে গান পরিবেশনায় অংশ্রগহণ করে ধ্রুবতারা ললিতকলা একাডেমী শিল্পীরা। শিশু-কিশোরদের কণ্ঠে একের পর এক ভেসে আসে, 'ও আলোর পথযাত্রী', কাজী নজরুল ইসলামের রণসঙ্গীত 'চল চল চল'সহ বিভিন্ন গান।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উদীচী মৌলভীবাজার জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক মীর ইউসুফ আলী।

তিনি বলেন, আজকের শিশু-কিশোররাই আগামী বাংলাদেশের কাণ্ডারী। তাই সাংস্কৃতিকভাবে এই শিশু-কিশোরদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধ এবং দেশের সত্য ইতিহাস তোলে ধরা আমাদেরই দায়িত্ব।

উদীচী মৌলভীবাজার জেলা সংসদের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, 'বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি গৌরব এবং একই সাথে স্বজন হারানো বেদনার দিন। আজ দেশে যে সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান আবার ঘটেছে সেই সাম্প্রদায়িক শক্তি বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার শপথ আজ পুনরায় নেওয়া দরকার বলে জানান তিনি।  

এদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উদীচী কর্মীরা ছাড়াও সমাজের নানা স্তরর মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। শিল্পীদের পাশাপাশি তারাও ঠোঁটে তোলে নিয়েছেন বিজয়ের গান। নিরব মনে স্মরণ করেছেন মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর সন্তানদের। 

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়