ঢাকা, সোমবার   ১৫ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪৩৩

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩:৩৮, ২১ ডিসেম্বর ২০২০

১১ মাসে এক উপজেলার ৮ ব্যাংকে রেমিট্যান্স এসেছে ১১০ কোটি টাকা

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মৌলভীবাজারের এক উপজেলার ৮ ব্যাংকে ১১ মাসেই রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে একটি ইউনিয়নের ২ টি ব্যাংকে এসেছে ৬৮ কোটি টাকা। সেই উপজেলাটি হলো জেলার কৃষিভিত্তিক অঞ্চল কমলগঞ্জ।

সোমবার(২১ ডিসেম্বর) কমলগঞ্জের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে এ তথ্যটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। জানা গেছে, এ অঞ্চলের বেশিরভাগ প্রবাসীরা ইউরোপ এবং আমেরিকায় বসবাস করেন।

শমশেরনগর সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক রিপন মজুমদার জানান, জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত তার শাখায় মোট ৩৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার রেমিট্যান্স এসেছে। তার শাখার টার্গেট ছিল ৩৩ কোটি টাকা। তিনি সেই টার্গেট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। ডিসেম্বর মাসের ২০ দিনে আরও ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার রেমিট্যান্স আয় হয়েছে বলে জানান তিনি।   

পূবালী ব্যাংক শমশেরনগর শাখার ব্যবস্থাপক নূপুর বৈদ্য জানান, তার শাখার টার্গেট ছিল ৩৮ কোটি টাকার। তবে করোনার কারণে গত এপ্রিল থেকে কয়েক মাস সাপ্তাহিক ২ দিন করে শাখা বন্ধ ছিল। তারপর জানুয়ারি থেকে গত নভেম্বর পর্যন্ত তার শাখায় ৩৪ কোটি টাকার বৈদেশিক রেমিট্যান্স আয় হয়েছে।  ডিসেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত তাদের ২ কোটি টাকা আয় হয়েছে।

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপক মোজাহিদ খান জানান, গত ১১ মাসে তার শাখায় ৬ কোটি ৪ লাখ টাকা রেমিট্যান্স এসেছে।  

কমলগঞ্জের ভানুগাছ শাখার অগ্রণী ব্যাংক ব্যবস্থাপক জানান, জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাসে এ শাখায় ৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকার রেমিট্যান্স আয় হয়েছে। ডিসেম্বর মাসের হিসেব শেষে আরও আয় বাড়বে।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কমলগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক নারায়ণ চন্দ্র রায় জানান, গত ১১ মাসে তার শাখায় ২ কোটি ১৫ লাখ ৩৪ হাজার টাকার রেমিট্যান্স এসেছে।

সোনালী ব্যাংক কমলগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল কাইয়ূম জানান, গত ১১ মাসে তার শাখায় ৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা রেমিট্যান্স আয় এসেছে । 

পূবালী ব্যাংক কমলগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মো. মাসুম সিদ্দিকী জানান, গত ১১ মাসে তার শাখায় ৯ কোটি ৯০ লাখ ১৫ হাজার টাকার রেমিট্যান্স এসেছে। 

রূপালী ব্যাংক কেরামতনগর শাখার ব্যবস্থাপক পারভেজ আহমেদ জানান, গত ১১ মাসে এ শাখায় ৬ কোটি ৪৭ লাখ ৯২ হাজার টাকার রেমিট্যান্স আসে।

সব মিলিয়ে দেখা যায় গত ১১ মাসে কমলগঞ্জের ৮ বাণিজ্যিক ব্যাংকে ১০৯ কোটি ৫৭  লাখ ৪১ হাজার টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত। এর মধ্যে শমশেরনগরের সোনালী ও পূবালী ব্যাংকে এসেছে সাড়ে ৬৮ কোটি টাকা। যা মোট হিসেবের অধিকাংশ আয়। 

ব্যাংক ব্যবস্থাপকরা জানান, করোনাকালে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনা ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রদানের কারণে  এ বছর আয় বেড়েছে। আগামীতে এ আয় আরও বাড়বে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়